চুয়াডাঙ্গার নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহারের সঙ্গে জেলার গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের এক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিকুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় জেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন বিষয়ক নানা দিক তুলে ধরেন গণমাধ্যম কর্মীরা। বিশেষ করে শহরের অব্যবস্থাপনা, অবৈধ দখল, যানজট, জ্বালানি সংকট এবং সরকারি স্থাপনার সামনে ফুটপাত দখলের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসে।
জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহার তার বক্তব্যে বলেন, “চুয়াডাঙ্গাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল জেলায় রূপান্তরিত করতে আমরা কাজ শুরু করেছি। শহরের অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, জেলায় তেল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে কৃষকদের যে ভোগান্তি হচ্ছে তা কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, যাতে কৃষকদের লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করতে না হয়।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক জানান, মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে শহরের যানজট অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাস্তার পাশে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামী তিন দিনের মধ্যে সড়কের ধারে রাখা নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ সময় একাধিক সাংবাদিক জেলার বিভিন্ন সরকারি অফিসের সামনে ফুটপাত ও পার্কিং জোন দখল করে ফুলবাগানসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে পৌর প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সভাটি ছিল উন্মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়মুখী, যেখানে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহারের সঙ্গে জেলার গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের এক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিকুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় জেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন বিষয়ক নানা দিক তুলে ধরেন গণমাধ্যম কর্মীরা। বিশেষ করে শহরের অব্যবস্থাপনা, অবৈধ দখল, যানজট, জ্বালানি সংকট এবং সরকারি স্থাপনার সামনে ফুটপাত দখলের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসে।
জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহার তার বক্তব্যে বলেন, “চুয়াডাঙ্গাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল জেলায় রূপান্তরিত করতে আমরা কাজ শুরু করেছি। শহরের অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, জেলায় তেল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে কৃষকদের যে ভোগান্তি হচ্ছে তা কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, যাতে কৃষকদের লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করতে না হয়।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক জানান, মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে শহরের যানজট অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাস্তার পাশে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামী তিন দিনের মধ্যে সড়কের ধারে রাখা নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ সময় একাধিক সাংবাদিক জেলার বিভিন্ন সরকারি অফিসের সামনে ফুটপাত ও পার্কিং জোন দখল করে ফুলবাগানসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে পৌর প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সভাটি ছিল উন্মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়মুখী, যেখানে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন