ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

আগুন ঝরা রোদে পুড়ছে রাজশাহী,তাপমাত্রা ৩৯.০৫ ডিগ্রি



আগুন ঝরা রোদে পুড়ছে রাজশাহী,তাপমাত্রা ৩৯.০৫ ডিগ্রি
ছবি : প্রতিনিধি

রাজশাহী জেলায় তীব্র তাপদাহে জনজীবন সমস্যায় পড়েছে। ৩রা এপ্রিল শুক্রবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, গত বুধবার তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বৃহস্পতিবার বেড়ে ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায়। ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও তাপদাহ এখনও বিরাজ করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৃষ্টি শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

তীব্র রোদে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ। অটো রিকশাচালক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, দুপুরে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে গেছে, যাত্রীও কম। হোটেলের বাবুর্চি ভুট্টু জানান, রোদে দাঁড়িয়ে কাজ করতে করতে মাথা ঘোরে, পানি পান করেও স্বস্তি মেলে না। ফল বিক্রেতা লাবু বলেন, গরমের কারণে বাজারে মানুষ কম, বিক্রিও কমেছে।

গৃহিণী ইশা তারা জুঁই জানান, ঘরের ভেতরও তাপমাত্রা অসহনীয়, বিশেষ করে ছোট বাচ্চা ও বয়স্কদের জন্য উদ্বেগ বাড়ছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস সতর্ক করে বলেন, হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং মাথা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


আগুন ঝরা রোদে পুড়ছে রাজশাহী,তাপমাত্রা ৩৯.০৫ ডিগ্রি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজশাহী জেলায় তীব্র তাপদাহে জনজীবন সমস্যায় পড়েছে। ৩রা এপ্রিল শুক্রবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, গত বুধবার তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বৃহস্পতিবার বেড়ে ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়ায়। ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও তাপদাহ এখনও বিরাজ করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৃষ্টি শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

তীব্র রোদে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ। অটো রিকশাচালক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, দুপুরে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে গেছে, যাত্রীও কম। হোটেলের বাবুর্চি ভুট্টু জানান, রোদে দাঁড়িয়ে কাজ করতে করতে মাথা ঘোরে, পানি পান করেও স্বস্তি মেলে না। ফল বিক্রেতা লাবু বলেন, গরমের কারণে বাজারে মানুষ কম, বিক্রিও কমেছে।

গৃহিণী ইশা তারা জুঁই জানান, ঘরের ভেতরও তাপমাত্রা অসহনীয়, বিশেষ করে ছোট বাচ্চা ও বয়স্কদের জন্য উদ্বেগ বাড়ছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস সতর্ক করে বলেন, হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং মাথা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ