ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা-এর হরিরামপুর ইউনিয়নের রায়েরগ্রাম ভাটিপাড়া এলাকায় তিন বছর বয়সী শিশু লাবিবের রহস্যজনক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। যে বয়সে একটি শিশুর হাসি-খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই তার এমন করুণ পরিণতি নাড়া দিয়েছে স্থানীয়দের।
ঘটনাটি ঘটে ১ এপ্রিল ২০২৬ বিকেলে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির পিতা সোহাগ তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সন্তানের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নানার বাড়ি থেকে সঙ্গে করে নিয়ে যান।
নিহতের নানা মো. মোজাম্মেল হক জানান, পারিবারিক কলহের কারণে লাবিবের মা লামিয়া আক্তার দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ অবস্থায় সোহাগ হঠাৎ এসে শিশুটিকে নিয়ে যেতে চাইলে তারা কোনো সন্দেহ না করেই তাকে যেতে দেন।
কিন্তু বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই ঘটে মর্মান্তিক ঘটনা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নানার বাড়ি থেকে প্রায় ৮০০ গজ দূরে একটি নির্জন স্থানে স্থানীয়রা শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত পিতা সোহাগ এলাকায় চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন এবং নিহত শিশুর মা তার তৃতীয় স্ত্রী। পারিবারিক অশান্তি দীর্ঘদিন ধরে চলমান ছিল বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার পর থেকেই সোহাগ পলাতক রয়েছে, যা ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। তবে এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পারিবারিক বিরোধ, নাকি অন্য কোনো কারণ—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একটি নিষ্পাপ শিশু কী অপরাধ করেছিল যে তাকে এমন নির্মম পরিণতির শিকার হতে হলো। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিশু লাবিবের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকা স্তব্ধ হয়ে আছে, আর শোকাহত পরিবার এখন ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা-এর হরিরামপুর ইউনিয়নের রায়েরগ্রাম ভাটিপাড়া এলাকায় তিন বছর বয়সী শিশু লাবিবের রহস্যজনক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। যে বয়সে একটি শিশুর হাসি-খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই তার এমন করুণ পরিণতি নাড়া দিয়েছে স্থানীয়দের।
ঘটনাটি ঘটে ১ এপ্রিল ২০২৬ বিকেলে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির পিতা সোহাগ তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সন্তানের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নানার বাড়ি থেকে সঙ্গে করে নিয়ে যান।
নিহতের নানা মো. মোজাম্মেল হক জানান, পারিবারিক কলহের কারণে লাবিবের মা লামিয়া আক্তার দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ অবস্থায় সোহাগ হঠাৎ এসে শিশুটিকে নিয়ে যেতে চাইলে তারা কোনো সন্দেহ না করেই তাকে যেতে দেন।
কিন্তু বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই ঘটে মর্মান্তিক ঘটনা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নানার বাড়ি থেকে প্রায় ৮০০ গজ দূরে একটি নির্জন স্থানে স্থানীয়রা শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত পিতা সোহাগ এলাকায় চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন এবং নিহত শিশুর মা তার তৃতীয় স্ত্রী। পারিবারিক অশান্তি দীর্ঘদিন ধরে চলমান ছিল বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার পর থেকেই সোহাগ পলাতক রয়েছে, যা ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। তবে এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পারিবারিক বিরোধ, নাকি অন্য কোনো কারণ—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একটি নিষ্পাপ শিশু কী অপরাধ করেছিল যে তাকে এমন নির্মম পরিণতির শিকার হতে হলো। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিশু লাবিবের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকা স্তব্ধ হয়ে আছে, আর শোকাহত পরিবার এখন ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়।

আপনার মতামত লিখুন