ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে 'অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪'-এর ৪৪তম ধাপের ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) শুক্রবার এক বিশেষ বিবৃতিতে এই নতুন দফার সামরিক পদক্ষেপের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই অভিযানটি মূলত প্রতিরোধ আন্দোলনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তালিকায় রয়েছেন ইরানের সাবেক জেনারেল কাসেম সোলাইমানি, হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ এবং ফিলিস্তিনি নেতা ইসমাইল হানিয়াসহ আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাদের হত্যার প্রতিবাদ এবং স্মরণে এই বিশেষ সামরিক পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
পবিত্র রমজান মাসের ২৩তম রজনীতে পরিচালিত এই হামলায় বিশেষ করে উত্তর ইসরায়েলের হাইফা ও হাদেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোকে নিশানা করা হয়েছে। এছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক শক্তিতে আঘাত হানার অংশ হিসেবে বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে।
ইরান এই বিশাল সামরিক তৎপরতার কথা প্রচার করলেও ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওইসব এলাকায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা ইরানের ছোঁড়া ড্রোন ও মিসাইল কতটুকু সফল হয়েছে সে সম্পর্কেও নিরপেক্ষ কোনো তথ্য এখনো সামনে আসেনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক ধরনের যুদ্ধকালীন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে 'অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪'-এর ৪৪তম ধাপের ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) শুক্রবার এক বিশেষ বিবৃতিতে এই নতুন দফার সামরিক পদক্ষেপের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই অভিযানটি মূলত প্রতিরোধ আন্দোলনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তালিকায় রয়েছেন ইরানের সাবেক জেনারেল কাসেম সোলাইমানি, হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ এবং ফিলিস্তিনি নেতা ইসমাইল হানিয়াসহ আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাদের হত্যার প্রতিবাদ এবং স্মরণে এই বিশেষ সামরিক পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
পবিত্র রমজান মাসের ২৩তম রজনীতে পরিচালিত এই হামলায় বিশেষ করে উত্তর ইসরায়েলের হাইফা ও হাদেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোকে নিশানা করা হয়েছে। এছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক শক্তিতে আঘাত হানার অংশ হিসেবে বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে।
ইরান এই বিশাল সামরিক তৎপরতার কথা প্রচার করলেও ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওইসব এলাকায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা ইরানের ছোঁড়া ড্রোন ও মিসাইল কতটুকু সফল হয়েছে সে সম্পর্কেও নিরপেক্ষ কোনো তথ্য এখনো সামনে আসেনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক ধরনের যুদ্ধকালীন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন