তুরস্কের মালিকানাধীন একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের বিশেষ অনুমতি নিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পরিবহনমন্ত্রী আব্দুলকাদির উরালোগলু। আলজাজিরার বরাতে শুক্রবার স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এই পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
পরিবহনমন্ত্রী উরালোগলু সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান যে হরমুজ প্রণালীর প্রবেশপথে মোট ১৫টি তুর্কি মালিকানাধীন জাহাজ অপেক্ষমাণ ছিল। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতিপূর্বে ইরানের একটি বন্দর ব্যবহার করার সুবাদে বিশেষ ছাড় পেয়েছে এবং সফলভাবে প্রণালী পার হতে সক্ষম হয়েছে। অবশিষ্ট জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের বিষয়ে তুরস্ক সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি একটি কড়া হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে এই নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো জাহাজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এমন উত্তপ্ত হুমকির মুখে আন্তর্জাতিক মহলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজার নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বিশাল অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয় যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। তুরস্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষায় কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে ওই এলাকায় অবস্থানরত বাকি ১৪টি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেগুলোকে গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি এখন সময়ের ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
তুরস্কের মালিকানাধীন একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ইরানের বিশেষ অনুমতি নিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পরিবহনমন্ত্রী আব্দুলকাদির উরালোগলু। আলজাজিরার বরাতে শুক্রবার স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এই পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
পরিবহনমন্ত্রী উরালোগলু সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান যে হরমুজ প্রণালীর প্রবেশপথে মোট ১৫টি তুর্কি মালিকানাধীন জাহাজ অপেক্ষমাণ ছিল। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতিপূর্বে ইরানের একটি বন্দর ব্যবহার করার সুবাদে বিশেষ ছাড় পেয়েছে এবং সফলভাবে প্রণালী পার হতে সক্ষম হয়েছে। অবশিষ্ট জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের বিষয়ে তুরস্ক সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি একটি কড়া হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে এই নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো জাহাজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এমন উত্তপ্ত হুমকির মুখে আন্তর্জাতিক মহলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজার নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বিশাল অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয় যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। তুরস্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষায় কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে ওই এলাকায় অবস্থানরত বাকি ১৪টি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেগুলোকে গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি এখন সময়ের ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন