ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বাড়িতে বসে দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬

বাড়িতে বসে দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা

জেলার জলঢাকা উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় বাড়িতে বসে বিভিন্ন দেশের ভিসা দেওয়ার নামে জাল প্রক্রিয়া চালানোর অভিযোগে মমিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে তার কাছ থেকে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক যুবক অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ভিসা বা বিদেশে যাওয়ার সহায়তার নাম করে সাধারণ মানুষদের অর্থ হাতিয়ে নিত। এতে অনেকেই ভুয়া আশায় অর্থ দিয়েও ফাঁদে পড়েছে। পুলিশ এই প্রতারণা কেমনভাবে পরিচালিত হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখছে এবং অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তাও তদন্ত করছে।

বাংলাদেশে বাড়িতে বসে বা অনলাইনে ভিসা প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অনলাইনে বা ব্যক্তিগতভাবে ভিসা, চাকরি বা বিদেশে প্রবেশের নামে প্রতারণার বড়‑ছোট চক্র ধরা পড়েছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এমনই একটি প্রতারণা চক্রের এক বাংলাদেশি দম্পতিকে আটক করা হয়েছিল। তারা ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আদালত তাদের জরিমানা ও কারাদণ্ড দিয়েছে এবং সাজা শেষে কালো তালিকাভুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভিসা বা চাকরি সংক্রান্ত আবেদন সবসময় সরকারি ও অনুমোদিত সূত্র ব্যবহার করে করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিয়ে প্রতারণামূলক অফার গ্রহণ করলে তা অপরাধের ফাঁদে পতিত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ভিসা প্রতারণা ও অনলাইন অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সন্দেহভাজন প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জনগণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, কোনো তথ্য যাচাই না করে অর্থ লেনদেন করা থেকে বিরত থাকতে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বাড়িতে বসে দিতেন বিভিন্ন দেশের ভিসা, অবশেষে ধরা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

জেলার জলঢাকা উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় বাড়িতে বসে বিভিন্ন দেশের ভিসা দেওয়ার নামে জাল প্রক্রিয়া চালানোর অভিযোগে মমিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে তার কাছ থেকে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক যুবক অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ভিসা বা বিদেশে যাওয়ার সহায়তার নাম করে সাধারণ মানুষদের অর্থ হাতিয়ে নিত। এতে অনেকেই ভুয়া আশায় অর্থ দিয়েও ফাঁদে পড়েছে। পুলিশ এই প্রতারণা কেমনভাবে পরিচালিত হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখছে এবং অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তাও তদন্ত করছে।

বাংলাদেশে বাড়িতে বসে বা অনলাইনে ভিসা প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অনলাইনে বা ব্যক্তিগতভাবে ভিসা, চাকরি বা বিদেশে প্রবেশের নামে প্রতারণার বড়‑ছোট চক্র ধরা পড়েছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এমনই একটি প্রতারণা চক্রের এক বাংলাদেশি দম্পতিকে আটক করা হয়েছিল। তারা ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আদালত তাদের জরিমানা ও কারাদণ্ড দিয়েছে এবং সাজা শেষে কালো তালিকাভুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভিসা বা চাকরি সংক্রান্ত আবেদন সবসময় সরকারি ও অনুমোদিত সূত্র ব্যবহার করে করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে টাকা দিয়ে প্রতারণামূলক অফার গ্রহণ করলে তা অপরাধের ফাঁদে পতিত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ভিসা প্রতারণা ও অনলাইন অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সন্দেহভাজন প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জনগণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, কোনো তথ্য যাচাই না করে অর্থ লেনদেন করা থেকে বিরত থাকতে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ