ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬

মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ বেঁচে আছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, হামলায় গুরুতর আহত হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে আছেন এবং আগে যেসব প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছিল সেগুলো সঠিক ছিল না।

এর আগে ইরানের একাধিক গণমাধ্যম দাবি করেছিল যে হামলায় আঘাত পেয়ে তিনি মারা গেছেন। আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম একপর্যায়ে জানিয়েছিল তিনি কোমায় রয়েছেন। পরে ফার্স নিউজ স্পষ্ট করে বলে, প্রাথমিক আহত হওয়ার তথ্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার কারণেই মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল। বৃহস্পতিবার নতুন করে সংশয় তৈরি হয় যখন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনি তার প্রথম প্রকাশ্য বিবৃতিতে মায়ের প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

মাশহাদের এক শিয়া পরিবারে জন্ম নেওয়া মানসুরেহ বাগেরজাদেহ মাত্র ১৭ বছর বয়সে, ১৯৬৪ সালে আলি খামেনিকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের ছয়টি সন্তান হয়েছে। রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাবাস এবং নানা বিপদের দিনে স্ত্রীর সমর্থনের কথা অতীতে বহুবার প্রকাশ্যে স্মরণ করেছিলেন খামেনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে নিজের বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সমন্বিত বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আলি খামেনি। বাবার মৃত্যুর পর দেওয়া প্রথম বার্তায় মোজতবা খামেনি জানান, তিনি নিজে বাবার মরদেহ দেখেছেন এবং সেই মুহূর্তে বাবার হাত মুষ্টিবদ্ধ ছিল, যাকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ বেঁচে আছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, হামলায় গুরুতর আহত হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে আছেন এবং আগে যেসব প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছিল সেগুলো সঠিক ছিল না।

এর আগে ইরানের একাধিক গণমাধ্যম দাবি করেছিল যে হামলায় আঘাত পেয়ে তিনি মারা গেছেন। আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম একপর্যায়ে জানিয়েছিল তিনি কোমায় রয়েছেন। পরে ফার্স নিউজ স্পষ্ট করে বলে, প্রাথমিক আহত হওয়ার তথ্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার কারণেই মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল। বৃহস্পতিবার নতুন করে সংশয় তৈরি হয় যখন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনি তার প্রথম প্রকাশ্য বিবৃতিতে মায়ের প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

মাশহাদের এক শিয়া পরিবারে জন্ম নেওয়া মানসুরেহ বাগেরজাদেহ মাত্র ১৭ বছর বয়সে, ১৯৬৪ সালে আলি খামেনিকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের ছয়টি সন্তান হয়েছে। রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাবাস এবং নানা বিপদের দিনে স্ত্রীর সমর্থনের কথা অতীতে বহুবার প্রকাশ্যে স্মরণ করেছিলেন খামেনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে নিজের বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সমন্বিত বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আলি খামেনি। বাবার মৃত্যুর পর দেওয়া প্রথম বার্তায় মোজতবা খামেনি জানান, তিনি নিজে বাবার মরদেহ দেখেছেন এবং সেই মুহূর্তে বাবার হাত মুষ্টিবদ্ধ ছিল, যাকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ