ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে গভীর শোকপ্রকাশ


প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে গভীর শোকপ্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে শুধু বেগম খালেদা জিয়াকে নয়, একই সঙ্গে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও স্মরণ করা হয়, যাঁরা দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

শোক প্রস্তাব গ্রহণের সময় সংসদ সদস্যরা খালেদা জিয়াকে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে একজন অগ্রণী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁরা বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব শুধু একটি রাজনৈতিক দলের জন্য নয়, পুরো দেশের জন্য প্রেরণার উৎস ছিল। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, অবদানের পরিধি এবং সাহসিক নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অম্লান অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। সংসদে তাঁর নীতি ও আদর্শের গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।

অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস, প্রধানমন্ত্রী সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং দেশের বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধি। বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরা শোক প্রস্তাবে একমত হন এবং বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

এসময় সংসদে বর্তমান সরকারের চলমান কার্যক্রম এবং নবগঠিত সরকারের কাজকর্মের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিতে শোকপ্রকাশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। শোক প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, তাঁর জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস আগামী প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও প্রেরণার উৎস হবে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব দেশের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাঁর সাহস, দৃঢ় নীতি ও গণতান্ত্রিক আদর্শ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। এই শোকপ্রস্তাবের মাধ্যমে সংসদ তাঁর অবদানের স্বীকৃতি জানিয়েছে এবং দেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা ও দেশপ্রেমের প্রশংসা প্রকাশ করেছে।

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সাংসদীয় কার্যক্রম চলার মধ্যেই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিতে শোকপ্রকাশ এক সংবেদনশীল ও স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। শোক প্রস্তাবটি সংসদে একমতভাবে গৃহীত হওয়ায় এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে রাজনৈতিক ঐক্যের এক প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংসদ সদস্যরা আশ্বাস দিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও নীতি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই শোক প্রস্তাবের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ তাঁর নেতৃত্ব ও অবদানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষণীয় পাঠ হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে গভীর শোকপ্রকাশ

প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে শুধু বেগম খালেদা জিয়াকে নয়, একই সঙ্গে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও স্মরণ করা হয়, যাঁরা দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

শোক প্রস্তাব গ্রহণের সময় সংসদ সদস্যরা খালেদা জিয়াকে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে একজন অগ্রণী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁরা বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব শুধু একটি রাজনৈতিক দলের জন্য নয়, পুরো দেশের জন্য প্রেরণার উৎস ছিল। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, অবদানের পরিধি এবং সাহসিক নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অম্লান অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। সংসদে তাঁর নীতি ও আদর্শের গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।

অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস, প্রধানমন্ত্রী সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং দেশের বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধি। বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরা শোক প্রস্তাবে একমত হন এবং বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

এসময় সংসদে বর্তমান সরকারের চলমান কার্যক্রম এবং নবগঠিত সরকারের কাজকর্মের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিতে শোকপ্রকাশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। শোক প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, তাঁর জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস আগামী প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও প্রেরণার উৎস হবে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব দেশের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাঁর সাহস, দৃঢ় নীতি ও গণতান্ত্রিক আদর্শ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। এই শোকপ্রস্তাবের মাধ্যমে সংসদ তাঁর অবদানের স্বীকৃতি জানিয়েছে এবং দেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা ও দেশপ্রেমের প্রশংসা প্রকাশ করেছে।

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সাংসদীয় কার্যক্রম চলার মধ্যেই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিতে শোকপ্রকাশ এক সংবেদনশীল ও স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। শোক প্রস্তাবটি সংসদে একমতভাবে গৃহীত হওয়ায় এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে রাজনৈতিক ঐক্যের এক প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংসদ সদস্যরা আশ্বাস দিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও নীতি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই শোক প্রস্তাবের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ তাঁর নেতৃত্ব ও অবদানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষণীয় পাঠ হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ