ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জরুরি মজুত ছাড়ার পরেও তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬

জরুরি মজুত ছাড়ার পরেও তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেল

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার প্রভাবে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আবারও দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ৫০ সেন্টে পৌঁছেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েক ডজন দেশ রেকর্ড পরিমাণে জরুরি মজুত বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পরেও এই মূল্যবৃদ্ধি থামানো সম্ভব হয়নি।

মার্কিন বাজারে লেনদেন হওয়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দামও একই গতিতে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৮ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলার ৯২ সেন্টে লেনদেন হচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ইরানের নতুন করে চালানো হামলা, যা বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার অতিক্রম করে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সর্বোচ্চ। সেই রেকর্ড উচ্চতার পর কিছুটা নেমে এলেও এখন আবার নতুন করে উত্থান শুরু হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেলের দাম প্রতিদিনই তীব্রভাবে ওঠানামা করছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গভীর অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং জরুরি মজুত বাজারে ছাড়ার মতো কৌশলগত পদক্ষেপও বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে পারছে না। এটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকটের সমাধান না হলে তেলের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলো এই পরিস্থিতিতে মারাত্মক চাপের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। দেশীয় বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যেও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জরুরি মজুত ছাড়ার পরেও তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেল

প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার প্রভাবে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আবারও দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ৫০ সেন্টে পৌঁছেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েক ডজন দেশ রেকর্ড পরিমাণে জরুরি মজুত বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পরেও এই মূল্যবৃদ্ধি থামানো সম্ভব হয়নি।

মার্কিন বাজারে লেনদেন হওয়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দামও একই গতিতে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৮ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলার ৯২ সেন্টে লেনদেন হচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ইরানের নতুন করে চালানো হামলা, যা বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার অতিক্রম করে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সর্বোচ্চ। সেই রেকর্ড উচ্চতার পর কিছুটা নেমে এলেও এখন আবার নতুন করে উত্থান শুরু হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেলের দাম প্রতিদিনই তীব্রভাবে ওঠানামা করছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গভীর অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং জরুরি মজুত বাজারে ছাড়ার মতো কৌশলগত পদক্ষেপও বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে পারছে না। এটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকটের সমাধান না হলে তেলের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলো এই পরিস্থিতিতে মারাত্মক চাপের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। দেশীয় বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যেও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ