হরমুজ প্রণালীর অদূরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে একটি কনটেইনার জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। বুধবার এই হামলার খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারী সব বাণিজ্যিক জাহাজকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, আমিরাতের উপকূল থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার বা ২৫ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার পরপরই জাহাজের ক্যাপ্টেন ইউকেএমটিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিশ্চিত করেন যে জাহাজে থাকা সকল নাবিক অক্ষত ও নিরাপদ আছেন। তাদের প্রত্যেকের সন্ধান পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
হামলায় জাহাজটির কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, জাহাজটি এখনো চলাচলে সক্ষম কিনা এবং কার্গো অক্ষত আছে কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করেছে। কোন পক্ষ এই হামলা চালিয়েছে সে বিষয়েও এখন পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোর একটি। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। কুয়েত, ইরাক, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য এটিই একমাত্র সামুদ্রিক রপ্তানি পথ। মাত্র ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত এই প্রণালীতে যেকোনো অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে।
চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা ইতোমধ্যে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন এবং ইরান যদি সামুদ্রিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে তাহলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে মার্কিন সেন্টকম বাহিনী এই প্রণালীতে ইরানের মাইন স্থাপনের অভিযোগ তুলে একাধিক ইরানি জাহাজ ধ্বংসের দাবি করেছিল। বুধবারের এই নতুন হামলা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
হরমুজ প্রণালীর অদূরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছে একটি কনটেইনার জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)। বুধবার এই হামলার খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারী সব বাণিজ্যিক জাহাজকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, আমিরাতের উপকূল থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার বা ২৫ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার পরপরই জাহাজের ক্যাপ্টেন ইউকেএমটিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিশ্চিত করেন যে জাহাজে থাকা সকল নাবিক অক্ষত ও নিরাপদ আছেন। তাদের প্রত্যেকের সন্ধান পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
হামলায় জাহাজটির কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, জাহাজটি এখনো চলাচলে সক্ষম কিনা এবং কার্গো অক্ষত আছে কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করেছে। কোন পক্ষ এই হামলা চালিয়েছে সে বিষয়েও এখন পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলোর একটি। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। কুয়েত, ইরাক, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য এটিই একমাত্র সামুদ্রিক রপ্তানি পথ। মাত্র ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত এই প্রণালীতে যেকোনো অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে।
চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা ইতোমধ্যে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন এবং ইরান যদি সামুদ্রিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে তাহলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর আগে মার্কিন সেন্টকম বাহিনী এই প্রণালীতে ইরানের মাইন স্থাপনের অভিযোগ তুলে একাধিক ইরানি জাহাজ ধ্বংসের দাবি করেছিল। বুধবারের এই নতুন হামলা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন