আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দলের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কারো বিরুদ্ধে বাস্তবভিত্তিক অভিযোগ উঠলে তা তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, প্রসিকিউশন বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ যদি অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, সেই অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই কমিটির মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, এর আগের দিন একটি ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ওই অভিযোগকে প্রসিকিউশন কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখছে না।
তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালে অন্য কোনো অভিযোগ আছে কিনা তা-ও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার জন্য তার নিজের নেতৃত্বে এই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির তদন্তে যদি কারো বিরুদ্ধে বাস্তবতার ভিত্তিতে প্রমাণযোগ্য কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার চলছে। প্রসিকিউশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিচারপ্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় প্রসিকিউশনের এই স্বউদ্যোগী পদক্ষেপ ইতিবাচক বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দলের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কারো বিরুদ্ধে বাস্তবভিত্তিক অভিযোগ উঠলে তা তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, প্রসিকিউশন বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ যদি অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, সেই অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই কমিটির মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, এর আগের দিন একটি ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ওই অভিযোগকে প্রসিকিউশন কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখছে না।
তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালে অন্য কোনো অভিযোগ আছে কিনা তা-ও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার জন্য তার নিজের নেতৃত্বে এই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির তদন্তে যদি কারো বিরুদ্ধে বাস্তবতার ভিত্তিতে প্রমাণযোগ্য কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার চলছে। প্রসিকিউশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিচারপ্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় প্রসিকিউশনের এই স্বউদ্যোগী পদক্ষেপ ইতিবাচক বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন