কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহৎ আকারের যৌথ সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে দেশ দুটিকে ‘ভয়াবহ পরিণতি’র কড়া হুমকি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অঞ্চলটিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে উত্তর কোরিয়া নিজের সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ জোরদার করবে বলেও তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গত সোমবার থেকে সিউল ও ওয়াশিংটন তাদের বার্ষিক বসন্তকালীন মহড়া ‘ফ্রিডম শিল্ড’ শুরু করার পরপরই পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এলো। কিম ইয়ো জং তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সীমানার কাছে শত্রুপক্ষীয় এমন শক্তির আস্ফালন কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন যে উত্তর কোরিয়ার ধৈর্য, ইচ্ছাশক্তি এবং সক্ষমতা পরীক্ষা করার চেষ্টা করা হলে তার ফল হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
উত্তর কোরিয়ার এই শীর্ষ নারী কর্মকর্তা আরও জোর দিয়ে বলেন যে কৌশলগত হুমকি হিসেবে বিবেচিত যে কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পিয়ংইয়ং তার অপ্রতিরোধ্য সমরাস্ত্র শক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে। তাঁর মতে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা কোনোভাবেই আপসযোগ্য নয়। যৌথ এই সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহৎ আকারের যৌথ সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে দেশ দুটিকে ‘ভয়াবহ পরিণতি’র কড়া হুমকি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অঞ্চলটিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে উত্তর কোরিয়া নিজের সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ জোরদার করবে বলেও তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গত সোমবার থেকে সিউল ও ওয়াশিংটন তাদের বার্ষিক বসন্তকালীন মহড়া ‘ফ্রিডম শিল্ড’ শুরু করার পরপরই পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এলো। কিম ইয়ো জং তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সীমানার কাছে শত্রুপক্ষীয় এমন শক্তির আস্ফালন কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন যে উত্তর কোরিয়ার ধৈর্য, ইচ্ছাশক্তি এবং সক্ষমতা পরীক্ষা করার চেষ্টা করা হলে তার ফল হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
উত্তর কোরিয়ার এই শীর্ষ নারী কর্মকর্তা আরও জোর দিয়ে বলেন যে কৌশলগত হুমকি হিসেবে বিবেচিত যে কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পিয়ংইয়ং তার অপ্রতিরোধ্য সমরাস্ত্র শক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে। তাঁর মতে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা কোনোভাবেই আপসযোগ্য নয়। যৌথ এই সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন