ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কোনো বাস্তবসম্মত শেষ লক্ষ্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার গভীর রাতে মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম পিবিএস নিউজকে দেওয়া বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে তিনি এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
আরাগচি বলেন, তার মতে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের ঘোষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, ইরানের আমেরিকানদের সঙ্গে অতীতে যোগাযোগের তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকায় যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনায় তিনি আস্থা রাখেন না।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সংকটের দায় ইরানের নয়, বরং ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনই বৈশ্বিক বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি করেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেনি এবং কাউকে সেখানে চলাচল থেকে বিরতও রাখছে না।
মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে আরাগচি বলেন, আলী খামেনির ছেলেকে দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে ইরানের শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং একটি স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত হবে।
বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে আরাগচি স্বীকার করেন যে ইরানি হামলায় কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে। তবে দাবি করেন, ইরান কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো বেসামরিক স্থাপনা বা জনবসতিতে হামলা করেনি।
উল্লেখ্য, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকার এমন এক সময়ে এলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। একদিকে ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, অন্যদিকে ইরানের আইআরজিসি বলছে যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে তেহরান, ওয়াশিংটন নয়। এই পরস্পরবিরোধী অবস্থানের মধ্যে আরাগচির সাক্ষাৎকার যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক পথ কতটা কঠিন, তার একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কোনো বাস্তবসম্মত শেষ লক্ষ্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার গভীর রাতে মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম পিবিএস নিউজকে দেওয়া বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে তিনি এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
আরাগচি বলেন, তার মতে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের ঘোষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, ইরানের আমেরিকানদের সঙ্গে অতীতে যোগাযোগের তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকায় যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনায় তিনি আস্থা রাখেন না।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সংকটের দায় ইরানের নয়, বরং ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনই বৈশ্বিক বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি করেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেনি এবং কাউকে সেখানে চলাচল থেকে বিরতও রাখছে না।
মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে আরাগচি বলেন, আলী খামেনির ছেলেকে দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে ইরানের শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং একটি স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত হবে।
বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে আরাগচি স্বীকার করেন যে ইরানি হামলায় কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে। তবে দাবি করেন, ইরান কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো বেসামরিক স্থাপনা বা জনবসতিতে হামলা করেনি।
উল্লেখ্য, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকার এমন এক সময়ে এলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। একদিকে ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, অন্যদিকে ইরানের আইআরজিসি বলছে যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে তেহরান, ওয়াশিংটন নয়। এই পরস্পরবিরোধী অবস্থানের মধ্যে আরাগচির সাক্ষাৎকার যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক পথ কতটা কঠিন, তার একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে।

আপনার মতামত লিখুন