মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলা জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু দেশের ওপর আরোপিত তেল-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্প বলেন, কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে হয়তো আর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজনও হবে না।
তবে ট্রাম্প সুনির্দিষ্টভাবে কোন দেশের ওপর আরোপিত কোন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রসঙ্গত, ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, যাতে ভারত সমুদ্রপথে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে পারে। এটিকে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একই সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার সম্প্রতি একটি ফলপ্রসূ ফোনালাপ হয়েছে, যদিও সেই আলোচনার বিষয়বস্তু প্রকাশ করেননি তিনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশলের অংশ হতে পারে। একদিকে হরমুজ প্রণালি দখলের হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব, উভয়ই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার মার্কিন প্রচেষ্টার দুটি ভিন্ন মুখ বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলা জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু দেশের ওপর আরোপিত তেল-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্প বলেন, কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে হয়তো আর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজনও হবে না।
তবে ট্রাম্প সুনির্দিষ্টভাবে কোন দেশের ওপর আরোপিত কোন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রসঙ্গত, ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, যাতে ভারত সমুদ্রপথে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে পারে। এটিকে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একই সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার সম্প্রতি একটি ফলপ্রসূ ফোনালাপ হয়েছে, যদিও সেই আলোচনার বিষয়বস্তু প্রকাশ করেননি তিনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশলের অংশ হতে পারে। একদিকে হরমুজ প্রণালি দখলের হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব, উভয়ই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার মার্কিন প্রচেষ্টার দুটি ভিন্ন মুখ বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন