ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের জাঙ্গালপাশা গ্রামে এক প্রবাসী যুবকের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেল খলিফা (২৮) ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাঙ্গালপাশা গ্রামের মৃত ইকরাম খলিফার ছেলে সোহেল খলিফা দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালীন প্রায় তিন মাস আগে একই এলাকার হেমায়েত ফরাজী, এনায়েত ফরাজী, ছলেমান ফরাজী এবং তাদের প্রতিবেশী ওবায়দুর হাওলাদারের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
পরে প্রায় এক মাস আগে সোহেল দেশে ফিরে এলে ওই বিরোধের জেরে তাদের ভাই জুনায়েদ ফরাজী (৪০) তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করে আসছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সোমবার (৯ মার্চ) সকালে জুনায়েদ ফরাজী সোহেল খলিফার বাড়িতে গিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে একই দিন বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সোহেল খলিফা শিমুল বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে তাকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকে একটি দল।
জাঙ্গালপাশা এলাকার মিয়াপাড়া সড়কে মাহফুজ ফরাজীর বাড়ির সামনে পৌঁছালে জুনায়েদ ফরাজীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬–৭ জন যুবক তার পথরোধ করে। এ সময় তারা লাঠিসোটা, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার সময় জুনায়েদ ফরাজী ধারালো রামদা দিয়ে কোপ দিলে তা সোহেলের ডান পায়ে লাগে এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এছাড়া তার সহযোগীরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তার মানিব্যাগে থাকা ৬ হাজার সৌদি রিয়াল (প্রায় ২ লাখ টাকা) এবং নগদ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের জাঙ্গালপাশা গ্রামে এক প্রবাসী যুবকের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেল খলিফা (২৮) ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাঙ্গালপাশা গ্রামের মৃত ইকরাম খলিফার ছেলে সোহেল খলিফা দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালীন প্রায় তিন মাস আগে একই এলাকার হেমায়েত ফরাজী, এনায়েত ফরাজী, ছলেমান ফরাজী এবং তাদের প্রতিবেশী ওবায়দুর হাওলাদারের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
পরে প্রায় এক মাস আগে সোহেল দেশে ফিরে এলে ওই বিরোধের জেরে তাদের ভাই জুনায়েদ ফরাজী (৪০) তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করে আসছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সোমবার (৯ মার্চ) সকালে জুনায়েদ ফরাজী সোহেল খলিফার বাড়িতে গিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে একই দিন বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সোহেল খলিফা শিমুল বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে তাকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকে একটি দল।
জাঙ্গালপাশা এলাকার মিয়াপাড়া সড়কে মাহফুজ ফরাজীর বাড়ির সামনে পৌঁছালে জুনায়েদ ফরাজীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬–৭ জন যুবক তার পথরোধ করে। এ সময় তারা লাঠিসোটা, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার সময় জুনায়েদ ফরাজী ধারালো রামদা দিয়ে কোপ দিলে তা সোহেলের ডান পায়ে লাগে এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এছাড়া তার সহযোগীরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তার মানিব্যাগে থাকা ৬ হাজার সৌদি রিয়াল (প্রায় ২ লাখ টাকা) এবং নগদ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন