পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তুলে রাঙ্গাবালী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলর সাধারণ সম্পাদক নিবির মাহমুদ (নীরব) গাজীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্বজনরা দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতায় গত রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টার দিকে নীরব গাজীকে গলাচিপা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. নোমান পারভেজের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া এবং চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই নীরবের মৃত্যু হয়েছে। তাদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই নীরবের মৃত্যু হলেও বিষয়টি প্রথমে পরিবারকে জানানো হয়নি।
নিহতের বাবা অভিযোগ করেন, চিকিৎসক ডা. নোমান পারভেজ তাকে আলাদা ডেকে নিয়ে কিছু কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন। পরে তাদেরকে রোগীকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। তবে পরিবারের দাবি, সে সময়ের আগেই নীরবের মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল।
এ ঘটনায় সাংবাদিকরা ডা. নোমান পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মেজবাউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে নীরব গাজীর আকস্মিক মৃত্যুতে সহপাঠী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তুলে রাঙ্গাবালী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলর সাধারণ সম্পাদক নিবির মাহমুদ (নীরব) গাজীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্বজনরা দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতায় গত রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টার দিকে নীরব গাজীকে গলাচিপা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. নোমান পারভেজের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া এবং চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই নীরবের মৃত্যু হয়েছে। তাদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই নীরবের মৃত্যু হলেও বিষয়টি প্রথমে পরিবারকে জানানো হয়নি।
নিহতের বাবা অভিযোগ করেন, চিকিৎসক ডা. নোমান পারভেজ তাকে আলাদা ডেকে নিয়ে কিছু কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন। পরে তাদেরকে রোগীকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। তবে পরিবারের দাবি, সে সময়ের আগেই নীরবের মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল।
এ ঘটনায় সাংবাদিকরা ডা. নোমান পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মেজবাউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে নীরব গাজীর আকস্মিক মৃত্যুতে সহপাঠী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন