ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মোবাইল ব্যবসায়ী মোঃ নাঈম শেখ (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত নাঈম শেখ ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের বাইলা কান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মোঃ হাবিব শেখের ছেলে এবং মালিগ্রাম বাজারের খালাসী মার্কেটে মোবাইল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মার্চ (রোববার), ঈদের দ্বিতীয় দিনে উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের চান্দ্রা মোড়ে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন নাঈম শেখ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পরও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবশেষে সোমবার দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, নাঈম ছিলেন পরিশ্রমী ও ভদ্র স্বভাবের একজন যুবক। তার এমন আকস্মিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জানাজার নামাজ শেষে তাকে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মোবাইল ব্যবসায়ী মোঃ নাঈম শেখ (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত নাঈম শেখ ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের বাইলা কান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মোঃ হাবিব শেখের ছেলে এবং মালিগ্রাম বাজারের খালাসী মার্কেটে মোবাইল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মার্চ (রোববার), ঈদের দ্বিতীয় দিনে উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের চান্দ্রা মোড়ে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন নাঈম শেখ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পরও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবশেষে সোমবার দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, নাঈম ছিলেন পরিশ্রমী ও ভদ্র স্বভাবের একজন যুবক। তার এমন আকস্মিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জানাজার নামাজ শেষে তাকে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন