ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বগাইল টোল প্লাজায় কর্মরত এক কর্মচারী বজ্রপাতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে আকস্মিক এ দুর্ঘটনা ঘটে, যা মুহূর্তেই টোল প্লাজা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
আহত ইমরান হোসেন (২৭) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মইশদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে এবং জীবিকার তাগিদে ভাঙ্গা বগাইল টোল প্লাজায় কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ইমরান তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। হঠাৎ করেই আকাশে বজ্রপাত শুরু হলে একপর্যায়ে তিনি সরাসরি বজ্রাঘাতে আক্রান্ত হন। প্রচণ্ড আঘাতে তিনি মহাসড়কের ওপর লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ছিল যে আশপাশের সহকর্মীরা প্রথমে কিছুটা হতভম্ব হয়ে পড়েন, পরে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
সহকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে গুরুতর আহত অবস্থায় ইমরানকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
এদিকে পরবর্তীতে টোল প্লাজার কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় তাকে ফরিদপুরে না নিয়ে সরাসরি রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনও গুরুতর বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সহকর্মী ও স্থানীয়রা ইমরানের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং বজ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে কর্মরতদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বগাইল টোল প্লাজায় কর্মরত এক কর্মচারী বজ্রপাতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে আকস্মিক এ দুর্ঘটনা ঘটে, যা মুহূর্তেই টোল প্লাজা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
আহত ইমরান হোসেন (২৭) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মইশদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে এবং জীবিকার তাগিদে ভাঙ্গা বগাইল টোল প্লাজায় কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ইমরান তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। হঠাৎ করেই আকাশে বজ্রপাত শুরু হলে একপর্যায়ে তিনি সরাসরি বজ্রাঘাতে আক্রান্ত হন। প্রচণ্ড আঘাতে তিনি মহাসড়কের ওপর লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ছিল যে আশপাশের সহকর্মীরা প্রথমে কিছুটা হতভম্ব হয়ে পড়েন, পরে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
সহকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে গুরুতর আহত অবস্থায় ইমরানকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
এদিকে পরবর্তীতে টোল প্লাজার কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় তাকে ফরিদপুরে না নিয়ে সরাসরি রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনও গুরুতর বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সহকর্মী ও স্থানীয়রা ইমরানের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং বজ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে কর্মরতদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন