ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মোজতবা খামেনির নিয়োগ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি ইরানের কঠোর বার্তা


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬

মোজতবা খামেনির নিয়োগ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি ইরানের কঠোর বার্তা

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়াকে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি একটি শক্তিশালী ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরান তার বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা রক্ষার পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধের বার্তা দিয়েছে।

বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক রামি খৌরি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া এক ধরনের সরাসরি হুঁশিয়ারি। তার মতে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইরানের বর্তমান ব্যবস্থাকে উপড়ে ফেলতে চাইলেও তেহরান এমন একজনকে নেতৃত্বে এনেছে, যিনি তার প্রয়াত বাবার (আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি) চেয়েও কঠোর অবস্থানের অধিকারী। এটি মূলত এই বার্তাই দেয় যে, শীর্ষ নেতৃত্বে আঘাত হেনেও ইরানের নীতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

বিশ্লেষকদের ধারণা, মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনা ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামোর ভেতরকার সংহতিরই বহিঃপ্রকাশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর এই দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর ইরানের শাসনতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা প্রমাণের একটি চেষ্টা। তবে এই কঠোর নেতৃত্বের অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


মোজতবা খামেনির নিয়োগ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি ইরানের কঠোর বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়াকে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি একটি শক্তিশালী ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরান তার বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা রক্ষার পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধের বার্তা দিয়েছে।

বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক রামি খৌরি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া এক ধরনের সরাসরি হুঁশিয়ারি। তার মতে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইরানের বর্তমান ব্যবস্থাকে উপড়ে ফেলতে চাইলেও তেহরান এমন একজনকে নেতৃত্বে এনেছে, যিনি তার প্রয়াত বাবার (আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি) চেয়েও কঠোর অবস্থানের অধিকারী। এটি মূলত এই বার্তাই দেয় যে, শীর্ষ নেতৃত্বে আঘাত হেনেও ইরানের নীতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

বিশ্লেষকদের ধারণা, মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনা ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাঠামোর ভেতরকার সংহতিরই বহিঃপ্রকাশ। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর এই দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর ইরানের শাসনতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা প্রমাণের একটি চেষ্টা। তবে এই কঠোর নেতৃত্বের অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ