নওগাঁর ধামইরহাটে শিশু ধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনায় মামলার পর শোকে স্তব্ধ ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা যুবদলের সদস্যসচিব রুহুল আমিন মুক্তার। শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে চিকিৎসাধীন শিশুটির খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসা ও সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে শিশুটির পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে রুহুল আমিন মুক্তার হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তাদের সান্ত্বনা দেন এবং দলীয়ভাবে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি পরিবারটির পাশে থেকে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারেও আশ্বাস দেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার জানায়, শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে ছয় বছর বয়সী মেয়েটি বাড়ির পাশে খেলছিল। ওই সময় মতিবুল (৩০) নামে এক যুবক খাবার দেওয়ার কথা বলে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটির মা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন, যেখানে বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার পরপরই ওই রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির চাচা বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় অভিযুক্ত মতিবুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এর আগে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় পুলিশের একটি দল দ্রুত অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই অভিযুক্ত মতিবুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে শনিবার (৭ মার্চ) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। এরপর তিনি নওগাঁ জেলা যুবদলকে দ্রুত ভুক্তভোগী শিশুটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা যুবদলের সদস্যসচিব রুহুল আমিন মুক্তার হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।
রুহুল আমিন মুক্তার বলেন, নিষ্পাপ একটি শিশুর ওপর এমন নৃশংস ও অমানবিক ঘটনা আমাদের সবাইকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তিনি জানান, দলীয় নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির পরিবারের হাতে কিছু নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং তার চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং আইনি লড়াইয়ে যা কিছু প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে যুবদল ও বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। একই সঙ্গে তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, এই কঠিন সময়ে তারা একা নয়; বিএনপি ও যুবদল সব সময় তাদের পাশে থাকবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে শিশু ধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনায় মামলার পর শোকে স্তব্ধ ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা যুবদলের সদস্যসচিব রুহুল আমিন মুক্তার। শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে চিকিৎসাধীন শিশুটির খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসা ও সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে শিশুটির পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে রুহুল আমিন মুক্তার হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তাদের সান্ত্বনা দেন এবং দলীয়ভাবে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি পরিবারটির পাশে থেকে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারেও আশ্বাস দেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার জানায়, শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে ছয় বছর বয়সী মেয়েটি বাড়ির পাশে খেলছিল। ওই সময় মতিবুল (৩০) নামে এক যুবক খাবার দেওয়ার কথা বলে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটির মা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন, যেখানে বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার পরপরই ওই রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির চাচা বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় অভিযুক্ত মতিবুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এর আগে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় পুলিশের একটি দল দ্রুত অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই অভিযুক্ত মতিবুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে শনিবার (৭ মার্চ) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। এরপর তিনি নওগাঁ জেলা যুবদলকে দ্রুত ভুক্তভোগী শিশুটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা যুবদলের সদস্যসচিব রুহুল আমিন মুক্তার হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।
রুহুল আমিন মুক্তার বলেন, নিষ্পাপ একটি শিশুর ওপর এমন নৃশংস ও অমানবিক ঘটনা আমাদের সবাইকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তিনি জানান, দলীয় নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির পরিবারের হাতে কিছু নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং তার চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা, নিরাপত্তা এবং আইনি লড়াইয়ে যা কিছু প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে যুবদল ও বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। একই সঙ্গে তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, এই কঠিন সময়ে তারা একা নয়; বিএনপি ও যুবদল সব সময় তাদের পাশে থাকবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন