ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন পুনরুদ্ধার আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং আলগী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিক মিঞা দীর্ঘদিন কারাবাসের পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেন। তার মুক্তির খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাতে এগিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থাকার পর আদালতের মাধ্যমে জামিন লাভ করেন সিদ্দিক মিঞা। তার মুক্তিকে ঘিরে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর তার মুক্তি পাওয়ায় সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা এটিকে স্বস্তির সংবাদ হিসেবে দেখছেন।
জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান বাবুলের সহযোগিতায় তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল ফরিদপুর আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে তাকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন এবং তাকে বুকে জড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেখানে উপস্থিত নেতা–কর্মীরাও সিদ্দিক মিঞার মুক্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে সিদ্দিক মিঞা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর তার জামিনে মুক্তি পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে তার মুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি আবারও এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন পুনরুদ্ধার আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং আলগী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিক মিঞা দীর্ঘদিন কারাবাসের পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেন। তার মুক্তির খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাতে এগিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি থাকার পর আদালতের মাধ্যমে জামিন লাভ করেন সিদ্দিক মিঞা। তার মুক্তিকে ঘিরে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর তার মুক্তি পাওয়ায় সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা এটিকে স্বস্তির সংবাদ হিসেবে দেখছেন।
জানা গেছে, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান বাবুলের সহযোগিতায় তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল ফরিদপুর আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে তাকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন এবং তাকে বুকে জড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেখানে উপস্থিত নেতা–কর্মীরাও সিদ্দিক মিঞার মুক্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে সিদ্দিক মিঞা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন পর তার জামিনে মুক্তি পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে তার মুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি আবারও এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

আপনার মতামত লিখুন