গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর, তার সম্ভাব্য সকল উত্তরসূরি এবং নতুন নেতা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও লক্ষ্যবস্তু করার কঠোর হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
বিশেষজ্ঞ প্যানেলকে সরাসরি সতর্কবার্তা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে উদ্দেশ্য করে সম্প্রতি এই চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে ইসরায়েল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফার্সি ভাষায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি বাহিনী স্পষ্ট করেছে যে, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে যাদের নাম বিবেচনা করা হবে, তাদের প্রত্যেককে ইসরায়েল তাড়া করবে। শুধু সম্ভাব্য উত্তরসূরিরাই নন, যারা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাদেরও রেহাই দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের নেতৃত্ব নির্বাচনের জটিলতা
ইরানের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা শূন্যতা পূরণে দেশটির ৮৮ সদস্যের একটি 'বিশেষজ্ঞ প্যানেল' যত দ্রুত সম্ভব নতুন নেতা নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করবে। সম্পূর্ণ শিয়া ধর্মীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই শক্তিশালী প্যানেলটি প্রতি আট বছর অন্তর জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়। বর্তমানে খামেনি-পরবর্তী ইরানের নেতৃত্ব কে দেবেন, তা নির্ধারণে এই প্যানেলটি যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এমন মরণঘাতী হুমকির খবর সামনে এল।
অস্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিশেষ অভিযানে খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েলের এই নতুন হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে আরও সংঘাতময় করে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের পক্ষ থেকে এই হুমকির বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে দেশটির বিশেষজ্ঞ প্যানেল তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর, তার সম্ভাব্য সকল উত্তরসূরি এবং নতুন নেতা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও লক্ষ্যবস্তু করার কঠোর হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
বিশেষজ্ঞ প্যানেলকে সরাসরি সতর্কবার্তা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে উদ্দেশ্য করে সম্প্রতি এই চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে ইসরায়েল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফার্সি ভাষায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি বাহিনী স্পষ্ট করেছে যে, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে যাদের নাম বিবেচনা করা হবে, তাদের প্রত্যেককে ইসরায়েল তাড়া করবে। শুধু সম্ভাব্য উত্তরসূরিরাই নন, যারা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাদেরও রেহাই দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের নেতৃত্ব নির্বাচনের জটিলতা
ইরানের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা শূন্যতা পূরণে দেশটির ৮৮ সদস্যের একটি 'বিশেষজ্ঞ প্যানেল' যত দ্রুত সম্ভব নতুন নেতা নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করবে। সম্পূর্ণ শিয়া ধর্মীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই শক্তিশালী প্যানেলটি প্রতি আট বছর অন্তর জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়। বর্তমানে খামেনি-পরবর্তী ইরানের নেতৃত্ব কে দেবেন, তা নির্ধারণে এই প্যানেলটি যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এমন মরণঘাতী হুমকির খবর সামনে এল।
অস্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিশেষ অভিযানে খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েলের এই নতুন হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে আরও সংঘাতময় করে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের পক্ষ থেকে এই হুমকির বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে দেশটির বিশেষজ্ঞ প্যানেল তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন