গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ‘হানিট্র্যাপ’-এর অভিযোগ তুলে এক কিশোরীর বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের জরিপুর এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় ১৭ জন নামীয় এবং আরও ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় পুলিশ সৈকত ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর একদল বিক্ষুব্ধ জনতা জরিপুর এলাকার বাসিন্দা বৃষ্টি খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বৃষ্টির বাড়ি ও দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, বৃষ্টি খাতুন ‘হানিট্র্যাপ’ বা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে ফাঁসাচ্ছেন।
তবে মামলার এজাহারে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। জানা গেছে, কিছুদিন আগে বৃষ্টির দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলায় পণ্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া গ্রেফতার হন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই মামলার আসামিপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
হামলার ঘটনায় বৃষ্টির মা শিরিনা বেগম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আরজি খলসী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সৈকত ইসলামকে। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর বা বেআইনি কর্মকাণ্ড করার সুযোগ নেই। যারা এমন করেছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।
বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা প্রশমনে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ‘হানিট্র্যাপ’-এর অভিযোগ তুলে এক কিশোরীর বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের জরিপুর এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় ১৭ জন নামীয় এবং আরও ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় পুলিশ সৈকত ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর একদল বিক্ষুব্ধ জনতা জরিপুর এলাকার বাসিন্দা বৃষ্টি খাতুনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বৃষ্টির বাড়ি ও দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, বৃষ্টি খাতুন ‘হানিট্র্যাপ’ বা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে ফাঁসাচ্ছেন।
তবে মামলার এজাহারে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। জানা গেছে, কিছুদিন আগে বৃষ্টির দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলায় পণ্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া গ্রেফতার হন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই মামলার আসামিপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।
হামলার ঘটনায় বৃষ্টির মা শিরিনা বেগম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আরজি খলসী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সৈকত ইসলামকে। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর বা বেআইনি কর্মকাণ্ড করার সুযোগ নেই। যারা এমন করেছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।
বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা প্রশমনে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন