ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মহাসড়কের সরকারি জমি দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ



ফরিদপুরের নগরকান্দায় মহাসড়কের সরকারি জমি দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ
ছবি : সংগৃহীত

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের পাশে সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউনুস মোল্লা ও তার ছেলে ওসমান মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার চরযশোরদি ইউনিয়নের জয়বাংলা মোড় এলাকায় মেসার্স মুন্সি ফিলিং স্টেশনের সামনে মহাসড়কের পাশে সম্প্রতি কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, যেসব জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে সেগুলো ঢাকা–খুলনা মহাসড়ক সম্প্রসারণের জন্য আগে থেকেই সরকারের অধিগ্রহণ করা জমির অংশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইউনুস মোল্লা চরযশোরদি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমিতে দোকানঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে এবং এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মহাসড়কের পাশে সরকারি জমিতে স্থাপনা গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে সড়ক সম্প্রসারণ বা যান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যে জমিতে দোকানঘর নির্মাণের কাজ চলছে সে বিষয়ে অভিযুক্তদের কাছে কোনো বৈধ মালিকানার কাগজপত্র বা দলিল পাওয়া যায়নি বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হলে তা শুধু অবৈধই নয়, ভবিষ্যতে উন্নয়নমূলক কাজেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুস মোল্লা বলেন, ওই জায়গায় শুধু তিনি নন, আরও অনেকে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত উল্লেখ করে বলেন, জায়গাটি যদি সরকারি হয়ে থাকে তাহলে সরকার চাইলে যেকোনো সময় তা ফিরিয়ে নিতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে তার কোনো আপত্তি থাকবে না।

এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে যদি সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


ফরিদপুরের নগরকান্দায় মহাসড়কের সরকারি জমি দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের পাশে সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউনুস মোল্লা ও তার ছেলে ওসমান মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার চরযশোরদি ইউনিয়নের জয়বাংলা মোড় এলাকায় মেসার্স মুন্সি ফিলিং স্টেশনের সামনে মহাসড়কের পাশে সম্প্রতি কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, যেসব জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে সেগুলো ঢাকা–খুলনা মহাসড়ক সম্প্রসারণের জন্য আগে থেকেই সরকারের অধিগ্রহণ করা জমির অংশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইউনুস মোল্লা চরযশোরদি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমিতে দোকানঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে এবং এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মহাসড়কের পাশে সরকারি জমিতে স্থাপনা গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে সড়ক সম্প্রসারণ বা যান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যে জমিতে দোকানঘর নির্মাণের কাজ চলছে সে বিষয়ে অভিযুক্তদের কাছে কোনো বৈধ মালিকানার কাগজপত্র বা দলিল পাওয়া যায়নি বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হলে তা শুধু অবৈধই নয়, ভবিষ্যতে উন্নয়নমূলক কাজেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুস মোল্লা বলেন, ওই জায়গায় শুধু তিনি নন, আরও অনেকে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত উল্লেখ করে বলেন, জায়গাটি যদি সরকারি হয়ে থাকে তাহলে সরকার চাইলে যেকোনো সময় তা ফিরিয়ে নিতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে তার কোনো আপত্তি থাকবে না।

এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে যদি সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ