জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খানের ২০ লাখ টাকার দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের উপপরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন আদালতে করা আবেদনে উল্লেখ করেন, তদন্তে দেখা গেছে লুৎফুল তাহমিনা খান প্রায় ১৫ কোটি ৪৬ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সরকারি দায়িত্বে থাকার সময় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে স্ত্রীর এসব কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের তথ্যমতে, তিনি নিজে এবং তার আংশিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে মোট ৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ৭৪৫ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। এসব অর্থের স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে দুদক আদালতকে জানায়, অভিযুক্তরা অপরাধলব্ধ সম্পদ হস্তান্তরের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে মামলার বিচার শেষে সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।
আদালত আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে লুৎফুল তাহমিনা খানের মালিকানাধীন মোট ২০ লাখ টাকার দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খানের ২০ লাখ টাকার দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের উপপরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন আদালতে করা আবেদনে উল্লেখ করেন, তদন্তে দেখা গেছে লুৎফুল তাহমিনা খান প্রায় ১৫ কোটি ৪৬ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সরকারি দায়িত্বে থাকার সময় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে স্ত্রীর এসব কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের তথ্যমতে, তিনি নিজে এবং তার আংশিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে মোট ৪৩ কোটি ৭৭ লাখ ৭৪৫ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। এসব অর্থের স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে দুদক আদালতকে জানায়, অভিযুক্তরা অপরাধলব্ধ সম্পদ হস্তান্তরের চেষ্টা করতে পারেন। এ কারণে মামলার বিচার শেষে সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।
আদালত আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে লুৎফুল তাহমিনা খানের মালিকানাধীন মোট ২০ লাখ টাকার দুটি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন