যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সর্বোচ্চ আট সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ বলেন, যুদ্ধের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন।
তিনি বলেন, “আপনি চার সপ্তাহ বলতে পারেন, কিন্তু এটি ছয় সপ্তাহ, আট সপ্তাহ কিংবা তিন সপ্তাহও হতে পারে। আমরা যুদ্ধের গতি ও তাল নির্ধারণ করছি এবং শত্রুকে ভারসাম্যহীন অবস্থায় রাখব।”
হেগসেথ দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে “দৃঢ়ভাবে, ধ্বংসাত্মকভাবে এবং নির্মমভাবে” জয়ী হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “সফলতা নিশ্চিত করতে যত সময় প্রয়োজন, আমরা তত সময় নেব।” একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই সংঘাতকে ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দীর্ঘমেয়াদি ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ হতে দেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’-এর মাধ্যমে ইরানের পরমাণু স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, নৌবাহিনীর স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা শুরু হয়। এতে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইসহ শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের শুরুতে সংঘাত চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এখন এর চেয়ে দীর্ঘ সময়ের সম্ভাবনার কথা বলছেন।
যুদ্ধের পঞ্চম দিনে (৪ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন টর্পেডো হামলায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ ধরনের ঘটনা প্রথম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের আকাশসীমায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান মোতায়েন করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশটি ইসরায়েল, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মিত্র দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে বলে জানা গেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সর্বোচ্চ আট সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
বুধবার (৪ মার্চ ২০২৬) পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ বলেন, যুদ্ধের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন।
তিনি বলেন, “আপনি চার সপ্তাহ বলতে পারেন, কিন্তু এটি ছয় সপ্তাহ, আট সপ্তাহ কিংবা তিন সপ্তাহও হতে পারে। আমরা যুদ্ধের গতি ও তাল নির্ধারণ করছি এবং শত্রুকে ভারসাম্যহীন অবস্থায় রাখব।”
হেগসেথ দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে “দৃঢ়ভাবে, ধ্বংসাত্মকভাবে এবং নির্মমভাবে” জয়ী হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “সফলতা নিশ্চিত করতে যত সময় প্রয়োজন, আমরা তত সময় নেব।” একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই সংঘাতকে ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দীর্ঘমেয়াদি ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ হতে দেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’-এর মাধ্যমে ইরানের পরমাণু স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, নৌবাহিনীর স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা শুরু হয়। এতে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইসহ শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের শুরুতে সংঘাত চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এখন এর চেয়ে দীর্ঘ সময়ের সম্ভাবনার কথা বলছেন।
যুদ্ধের পঞ্চম দিনে (৪ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন টর্পেডো হামলায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ ধরনের ঘটনা প্রথম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের আকাশসীমায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান মোতায়েন করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশটি ইসরায়েল, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মিত্র দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে বলে জানা গেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন