রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ড. ব্রুস ই. বেচটল জুনিয়র দাবি করেছেন, ইরান উত্তর কোরিয়ার সরাসরি প্রযুক্তিগত সহায়তায় আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) তৈরি করছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে চলা এই গোপন সামরিক অংশীদারিত্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।
বেচটলের দাবি অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ২০১৩ সাল থেকেই ইরানকে ৮০ টন ওজনের রকেট বুস্টার তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। ২০১৫ সালে পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) আলোচনা চলাকালেও পিয়ংইয়ং থেকে তেহরানে গোপনে রকেটের চালান পাঠানো হয়েছিল। এই মিসাইল প্রযুক্তির মূলে রয়েছে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৫, যার আরডি-২৫০ ইঞ্জিন প্রায় ৮ হাজার মাইল দূরে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম।
২০১৬ সালে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ উভয় দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এই অবৈধ লেনদেন নিশ্চিত করে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের ২০২১ সালের প্রতিবেদনেও বলা হয়, ২০২০ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া থেকে ইরানে ক্ষেপণাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'কোরিয়া মাইনিং ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি' ও 'গ্রিন পাইন'-এর প্রতিনিধিরা বর্তমানে তেহরানে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ড. ব্রুস ই. বেচটল জুনিয়র দাবি করেছেন, ইরান উত্তর কোরিয়ার সরাসরি প্রযুক্তিগত সহায়তায় আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) তৈরি করছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে চলা এই গোপন সামরিক অংশীদারিত্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।
বেচটলের দাবি অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ২০১৩ সাল থেকেই ইরানকে ৮০ টন ওজনের রকেট বুস্টার তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। ২০১৫ সালে পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) আলোচনা চলাকালেও পিয়ংইয়ং থেকে তেহরানে গোপনে রকেটের চালান পাঠানো হয়েছিল। এই মিসাইল প্রযুক্তির মূলে রয়েছে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৫, যার আরডি-২৫০ ইঞ্জিন প্রায় ৮ হাজার মাইল দূরে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম।
২০১৬ সালে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ উভয় দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এই অবৈধ লেনদেন নিশ্চিত করে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের ২০২১ সালের প্রতিবেদনেও বলা হয়, ২০২০ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া থেকে ইরানে ক্ষেপণাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'কোরিয়া মাইনিং ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি' ও 'গ্রিন পাইন'-এর প্রতিনিধিরা বর্তমানে তেহরানে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন