কুয়েতে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘটনাটিকে 'ফ্রেন্ডলি ফায়ার' বলে দাবি করলেও সামরিক বিশেষজ্ঞরা এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একাধিক প্রযুক্তিগত অসংগতির কথা তুলে ধরেছেন। বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্য নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর এটিকে মার্কিন বিমানবাহিনীর অন্যতম ক্ষতিকর দিন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে বিমানগুলোর ইঞ্জিনে আঘাত হেনেছে, যা তাপ-অনুসন্ধানী বা হিট-সিকিং মিসাইলের বৈশিষ্ট্য। অথচ কুয়েতের হাতে থাকা প্যাট্রিয়ট ও নাসামস ব্যবস্থা রাডার-গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করে। বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেন, প্যাট্রিয়টের আঘাতে পাইলটের বেঁচে ফেরার নজির আগে দেখা যায়নি, অথচ এ ঘটনায় সব ক্রু অক্ষত আছেন।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে মার্কিন দাবির সমর্থন না করে জানিয়েছে, ওই সময় আকাশে বেশ কিছু 'শত্রু লক্ষ্যবস্তু' উপস্থিত ছিল। একই সময়ে ওই অঞ্চলে ইরানি যুদ্ধবিমানের উপস্থিতির কথা মার্কিন প্রশাসন নিজেই স্বীকার করেছে।
এদিকে তেহরানের খাতাম আল-আম্বিয়া আকাশ প্রতিরক্ষা ঘাঁটি দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি মার্কিন এফ-১৫ সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের হাতে থাকা আর-৭৩ বা আর-৭৪ শ্রেণির হিট-সিকিং মিসাইল দিয়ে এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে, যা বিধ্বস্ত বিমানের ক্ষতির ধরনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
কুয়েতে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘটনাটিকে 'ফ্রেন্ডলি ফায়ার' বলে দাবি করলেও সামরিক বিশেষজ্ঞরা এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একাধিক প্রযুক্তিগত অসংগতির কথা তুলে ধরেছেন। বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্য নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর এটিকে মার্কিন বিমানবাহিনীর অন্যতম ক্ষতিকর দিন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে বিমানগুলোর ইঞ্জিনে আঘাত হেনেছে, যা তাপ-অনুসন্ধানী বা হিট-সিকিং মিসাইলের বৈশিষ্ট্য। অথচ কুয়েতের হাতে থাকা প্যাট্রিয়ট ও নাসামস ব্যবস্থা রাডার-গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করে। বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেন, প্যাট্রিয়টের আঘাতে পাইলটের বেঁচে ফেরার নজির আগে দেখা যায়নি, অথচ এ ঘটনায় সব ক্রু অক্ষত আছেন।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে মার্কিন দাবির সমর্থন না করে জানিয়েছে, ওই সময় আকাশে বেশ কিছু 'শত্রু লক্ষ্যবস্তু' উপস্থিত ছিল। একই সময়ে ওই অঞ্চলে ইরানি যুদ্ধবিমানের উপস্থিতির কথা মার্কিন প্রশাসন নিজেই স্বীকার করেছে।
এদিকে তেহরানের খাতাম আল-আম্বিয়া আকাশ প্রতিরক্ষা ঘাঁটি দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি মার্কিন এফ-১৫ সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের হাতে থাকা আর-৭৩ বা আর-৭৪ শ্রেণির হিট-সিকিং মিসাইল দিয়ে এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে, যা বিধ্বস্ত বিমানের ক্ষতির ধরনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন