ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

হবিগঞ্জ-১ আসনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? সিমি কিবরিয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ



হবিগঞ্জ-১ আসনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? সিমি কিবরিয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা ব্যক্তি ও পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার কয়েকটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতিতে সিমি কিবরিয়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি কোনো প্রশাসনিক নির্দেশনা দেননি বা সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেননি; বরং সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্যেই তাঁর অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ ছিল।

আইনজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সামাজিক বা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকলে তা আইনবিরোধী নয়, যতক্ষণ না তিনি প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ বা সরকারি দায়িত্ব পালনের পর্যায়ে যান। তাঁরা আরও বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করলে তা দণ্ডবিধির মানহানি সংক্রান্ত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে। যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে দিলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং তা সামাজিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে বলেও মত দেন তারা।

এ বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় সিমি কিবরিয়া বলেন, তিনি কোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছেন না এবং করারও প্রশ্ন নেই। সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতিতে শুধুমাত্র সামাজিক সৌজন্য ও আমন্ত্রণের ভিত্তিতে কিছু অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। এর বাইরে তাঁর কোনো নির্বাহী বা প্রশাসনিক ভূমিকা নেই বলেও স্পষ্ট করেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাঁর নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা দুঃখজনক। সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়াকে তিনি ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেখেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রয়োগ হিসেবে নয়।

সিমি কিবরিয়া যারা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন তাদের প্রতি যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, গণতান্ত্রিক সমাজে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত সম্মানহানি কাম্য নয়। স্থানীয় সচেতন মহলও মনে করছে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তি আক্রমণ ও যাচাইবিহীন প্রচারণা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


হবিগঞ্জ-১ আসনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? সিমি কিবরিয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা ব্যক্তি ও পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার কয়েকটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতিতে সিমি কিবরিয়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি কোনো প্রশাসনিক নির্দেশনা দেননি বা সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেননি; বরং সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্যেই তাঁর অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ ছিল।

আইনজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সামাজিক বা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকলে তা আইনবিরোধী নয়, যতক্ষণ না তিনি প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ বা সরকারি দায়িত্ব পালনের পর্যায়ে যান। তাঁরা আরও বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করলে তা দণ্ডবিধির মানহানি সংক্রান্ত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে। যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে দিলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং তা সামাজিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে বলেও মত দেন তারা।

এ বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় সিমি কিবরিয়া বলেন, তিনি কোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছেন না এবং করারও প্রশ্ন নেই। সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতিতে শুধুমাত্র সামাজিক সৌজন্য ও আমন্ত্রণের ভিত্তিতে কিছু অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। এর বাইরে তাঁর কোনো নির্বাহী বা প্রশাসনিক ভূমিকা নেই বলেও স্পষ্ট করেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাঁর নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা দুঃখজনক। সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়াকে তিনি ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেখেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রয়োগ হিসেবে নয়।

সিমি কিবরিয়া যারা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন তাদের প্রতি যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, গণতান্ত্রিক সমাজে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত সম্মানহানি কাম্য নয়। স্থানীয় সচেতন মহলও মনে করছে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তি আক্রমণ ও যাচাইবিহীন প্রচারণা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ