খুলনার বটিয়াঘাটা থানার আলোচিত মস্তকবিহীন সালেহা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই খুলনা। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গত ১ মার্চ ঢাকার হাতিরঝিল থানার মগবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট বটিয়াঘাটা থানায় ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা হয়। তদন্তে উঠে আসে, ভুক্তভোগী সালেহা বেগম সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে দেশে ফেরার পর একই গ্রামের লালন গাজীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। লালন তাকে স্ত্রী পরিচয়ে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী এলাকায় ভাড়া বাসায় রাখতেন। যদিও তিনি আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, সালেহার ব্যাংকে থাকা প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেন লালন। পরে সালেহা বিয়ে রেজিস্ট্রি করার চাপ দিলে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় বেড়ানোর কথা বলে তাকে খুলনার গজালিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লালন ও তার মামাতো ভাই সিজার মিলে তাকে হত্যা করে। পরিচয় গোপন করতে মরদেহের মাথা বিচ্ছিন্ন করে দেহাংশ, পোশাক, মোবাইল ফোন ও ব্যবহৃত আলামত নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর প্রযুক্তির সহায়তায় লালন গাজীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। তবে সিজার মোল্লা পলাতক ছিলেন। পিবিআই জানায়, সিজার দীর্ঘ সময় কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেননি এবং পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখেন। তবু ধারাবাহিক নজরদারি ও গোপন অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করলে সিজার মোল্লা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাকি প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগপত্র দ্রুত আদালতে দাখিল করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
খুলনার বটিয়াঘাটা থানার আলোচিত মস্তকবিহীন সালেহা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই খুলনা। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গত ১ মার্চ ঢাকার হাতিরঝিল থানার মগবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট বটিয়াঘাটা থানায় ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা হয়। তদন্তে উঠে আসে, ভুক্তভোগী সালেহা বেগম সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে দেশে ফেরার পর একই গ্রামের লালন গাজীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। লালন তাকে স্ত্রী পরিচয়ে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী এলাকায় ভাড়া বাসায় রাখতেন। যদিও তিনি আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, সালেহার ব্যাংকে থাকা প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেন লালন। পরে সালেহা বিয়ে রেজিস্ট্রি করার চাপ দিলে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় বেড়ানোর কথা বলে তাকে খুলনার গজালিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লালন ও তার মামাতো ভাই সিজার মিলে তাকে হত্যা করে। পরিচয় গোপন করতে মরদেহের মাথা বিচ্ছিন্ন করে দেহাংশ, পোশাক, মোবাইল ফোন ও ব্যবহৃত আলামত নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর প্রযুক্তির সহায়তায় লালন গাজীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। তবে সিজার মোল্লা পলাতক ছিলেন। পিবিআই জানায়, সিজার দীর্ঘ সময় কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেননি এবং পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখেন। তবু ধারাবাহিক নজরদারি ও গোপন অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করলে সিজার মোল্লা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাকি প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগপত্র দ্রুত আদালতে দাখিল করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন