ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের রাজধানী ইরবিলে মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা একটি হোটেলে সফল ড্রোন হামলার দাবি করেছে দেশটির শিয়াপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’। ইরান সীমান্তবর্তী এই কৌশলগত এলাকায় মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার বিষয়টি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরবিলের ওই হোটেলে হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, হোটেলটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা আবাসন ও অভিযানিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করছিলেন। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের এই উত্তপ্ত মুহূর্তে ইরাকের মাটিতে মার্কিন ‘দখলদারদের’ ওপর এটি তাদের ধারাবাহিক প্রতিরোধের অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ইরাকি সংবাদ সংস্থা ‘নায়া’ (Naya) একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছে, যেখানে ইরবিলের একটি বহুতল ভবনে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা গেছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ড্রোন ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে ‘দখলদারদের ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে হামলাটি চালিয়েছে। যদিও এই হামলায় কতজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন বা হোটেলটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ইরাকের এই হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলো শিয়াপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরবিল সীমান্তে এই হামলা কেবল শুরু; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ইরাকের অন্যান্য অঞ্চলেও মার্কিন অবস্থানগুলো আরও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের রাজধানী ইরবিলে মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা একটি হোটেলে সফল ড্রোন হামলার দাবি করেছে দেশটির শিয়াপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’। ইরান সীমান্তবর্তী এই কৌশলগত এলাকায় মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার বিষয়টি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরবিলের ওই হোটেলে হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, হোটেলটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা আবাসন ও অভিযানিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করছিলেন। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের এই উত্তপ্ত মুহূর্তে ইরাকের মাটিতে মার্কিন ‘দখলদারদের’ ওপর এটি তাদের ধারাবাহিক প্রতিরোধের অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ইরাকি সংবাদ সংস্থা ‘নায়া’ (Naya) একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছে, যেখানে ইরবিলের একটি বহুতল ভবনে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা গেছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ড্রোন ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে ‘দখলদারদের ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে হামলাটি চালিয়েছে। যদিও এই হামলায় কতজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন বা হোটেলটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ইরাকের এই হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলো শিয়াপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরবিল সীমান্তে এই হামলা কেবল শুরু; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ইরাকের অন্যান্য অঞ্চলেও মার্কিন অবস্থানগুলো আরও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন