সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Saudi Aramco-র একটি শোধনাগারে সাম্প্রতিক হামলাকে ইসরাইলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে চালানো গোপন অভিযান বলে দাবি করেছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র। ইরানের বার্তা সংস্থা Tasnim News Agency-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই সূত্র জানায়, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের ওপর আক্রমণের অভিযোগ থেকে আঞ্চলিক দেশগুলোর মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া।
সূত্রটি দাবি করে, ইরান প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে যে তারা অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করবে এবং ইতোমধ্যে অনেক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে আরামকোর স্থাপনাগুলো এখন পর্যন্ত ইরানি হামলার তালিকায় ছিল না বলেও তারা উল্লেখ করে।
এছাড়া গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর ইসরাইলের সম্ভাব্য পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে।
এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানের ড্রোন হামলায় সৌদি আরামকোর রাস তানুরা রিফাইনারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পরবর্তীতে শোধনাগারটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে অবস্থিত রাস তানুরা মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল শোধনাগারগুলোর একটি। জ্বালানি অবকাঠামোয় এ ধরনের হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ কৌশল বলতে এমন গোপন অভিযানকে বোঝায়, যেখানে প্রকৃত হামলাকারী পক্ষ অন্য কারও ওপর দায় চাপিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এর উদ্দেশ্য হতে পারে রাজনৈতিক বা সামরিক সুবিধা আদায়, জনমত প্রভাবিত করা কিংবা সংঘাতের অজুহাত তৈরি করা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Saudi Aramco-র একটি শোধনাগারে সাম্প্রতিক হামলাকে ইসরাইলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে চালানো গোপন অভিযান বলে দাবি করেছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র। ইরানের বার্তা সংস্থা Tasnim News Agency-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই সূত্র জানায়, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের ওপর আক্রমণের অভিযোগ থেকে আঞ্চলিক দেশগুলোর মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া।
সূত্রটি দাবি করে, ইরান প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে যে তারা অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করবে এবং ইতোমধ্যে অনেক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে আরামকোর স্থাপনাগুলো এখন পর্যন্ত ইরানি হামলার তালিকায় ছিল না বলেও তারা উল্লেখ করে।
এছাড়া গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর ইসরাইলের সম্ভাব্য পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে।
এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানের ড্রোন হামলায় সৌদি আরামকোর রাস তানুরা রিফাইনারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পরবর্তীতে শোধনাগারটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে অবস্থিত রাস তানুরা মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল শোধনাগারগুলোর একটি। জ্বালানি অবকাঠামোয় এ ধরনের হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ কৌশল বলতে এমন গোপন অভিযানকে বোঝায়, যেখানে প্রকৃত হামলাকারী পক্ষ অন্য কারও ওপর দায় চাপিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এর উদ্দেশ্য হতে পারে রাজনৈতিক বা সামরিক সুবিধা আদায়, জনমত প্রভাবিত করা কিংবা সংঘাতের অজুহাত তৈরি করা।

আপনার মতামত লিখুন