গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে ইরান থেকে ছোড়া ১৭৮টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে কুয়েতের সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কুয়েতের আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বেশিরভাগই আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করা হয়েছে। তবে সব হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লক্ষ্যভেদে সক্ষম হয়, যার ফলে কুয়েতের সেনাবাহিনীর ২৭ সদস্য আহত হন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।
ঘটনার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে ইরান থেকে ছোড়া ১৭৮টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে কুয়েতের সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কুয়েতের আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বেশিরভাগই আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করা হয়েছে। তবে সব হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লক্ষ্যভেদে সক্ষম হয়, যার ফলে কুয়েতের সেনাবাহিনীর ২৭ সদস্য আহত হন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।
ঘটনার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন