ইরানের একের পর এক নজিরবিহীন হামলার মুখে কাতারের জ্বালানি খাত যখন চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন, ঠিক সেই মুহূর্তে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের প্রভাবে কাতারের গ্যাস উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করার পর এই ফোনালাপটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। আলাপকালে পুতিন কাতারের আমিরের প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানান।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার এই দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ইরানের হামলার ফলে কাতারের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবকাঠামো যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, তা নিয়ে পুতিন উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি এই কঠিন সময়ে কাতারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিবেশে রাশিয়ার মতো একটি বড় শক্তির সমর্থন কাতারের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঢাল হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কাতারের আমিরের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এই সংকটকালে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশ এবং যেকোনো ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদানের প্রস্তুতির জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কাতারের গ্যাস উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, তা মোকাবিলায় দুই নেতা একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার বিষয়েও ইঙ্গিত দেন।
টেলিফোনে আলাপকালে দুই নেতা বর্তমানের উত্তপ্ত আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করেন। তারা একমত হন যে, এই মুহূর্তে উত্তেজনা প্রশমন করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য সামরিক পথের চেয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপরই তারা সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও কাতারের আমিরের এই আলাপচারিতা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে নতুন কোনো মধ্যস্থতার পথ উন্মোচন করতে পারে কিনা, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইরানের একের পর এক নজিরবিহীন হামলার মুখে কাতারের জ্বালানি খাত যখন চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন, ঠিক সেই মুহূর্তে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের প্রভাবে কাতারের গ্যাস উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করার পর এই ফোনালাপটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। আলাপকালে পুতিন কাতারের আমিরের প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানান।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার এই দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ইরানের হামলার ফলে কাতারের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবকাঠামো যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, তা নিয়ে পুতিন উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি এই কঠিন সময়ে কাতারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিবেশে রাশিয়ার মতো একটি বড় শক্তির সমর্থন কাতারের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঢাল হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কাতারের আমিরের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এই সংকটকালে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশ এবং যেকোনো ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদানের প্রস্তুতির জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কাতারের গ্যাস উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, তা মোকাবিলায় দুই নেতা একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার বিষয়েও ইঙ্গিত দেন।
টেলিফোনে আলাপকালে দুই নেতা বর্তমানের উত্তপ্ত আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করেন। তারা একমত হন যে, এই মুহূর্তে উত্তেজনা প্রশমন করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য সামরিক পথের চেয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ওপরই তারা সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও কাতারের আমিরের এই আলাপচারিতা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে নতুন কোনো মধ্যস্থতার পথ উন্মোচন করতে পারে কিনা, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন