ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক নারীর বাড়িতে অনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে এসে আটক হয়েছেন পুলিশের এক এসআই—এর অভিযোগ উঠেছে। পরে থানায় নেওয়ার পর সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগী নারী দাবি করেছেন।
ঘটনাটি সোমবার (২ মার্চ) হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন মিলন কুমার হাওলাদার, যিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এলাকায়।
ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেই সূত্রে এসআই মিলনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি পরে একাধিকবার কু-প্রস্তাব দেন এবং ভাঙ্গায় তার বাড়িতে আসার প্রস্তাবও দেন। নারীর দাবি, তিনি রাজি না হওয়ায় সোমবার সন্ধ্যায় তিনি অনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে বাড়িতে আসেন। এরপর নারী কর্মকর্তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে থানায় মৌখিক অভিযোগ দেন।
ওসি আব্দুল আলিম বলেন, “প্রেমের টানে ব্যক্তিটি বাড়িতে এসেছিলেন। মনোমালিন্যের খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।”
স্থানীয়রা অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক নারীর বাড়িতে অনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে এসে আটক হয়েছেন পুলিশের এক এসআই—এর অভিযোগ উঠেছে। পরে থানায় নেওয়ার পর সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগী নারী দাবি করেছেন।
ঘটনাটি সোমবার (২ মার্চ) হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন মিলন কুমার হাওলাদার, যিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এলাকায়।
ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেই সূত্রে এসআই মিলনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি পরে একাধিকবার কু-প্রস্তাব দেন এবং ভাঙ্গায় তার বাড়িতে আসার প্রস্তাবও দেন। নারীর দাবি, তিনি রাজি না হওয়ায় সোমবার সন্ধ্যায় তিনি অনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে বাড়িতে আসেন। এরপর নারী কর্মকর্তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে থানায় মৌখিক অভিযোগ দেন।
ওসি আব্দুল আলিম বলেন, “প্রেমের টানে ব্যক্তিটি বাড়িতে এসেছিলেন। মনোমালিন্যের খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।”
স্থানীয়রা অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন