মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার জেরে স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভায় এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। সেই হিসেবে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের বর্তমান বাজারদর দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণালংকারের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রৌপালংকারের দামও। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত রৌপ্যের প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৭৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রৌপালংকার ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৪৩৪ টাকায় বিক্রি হবে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন বিক্রয়মূল্য বজায় থাকবে। একই সঙ্গে ক্রেতাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অলংকার কেনার সময় সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আরও ৮ হাজার ৬৯০ টাকা বেড়ে এখন তা ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে হিসেব করলে মাত্র দশ দিনে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট প্রায় ১৮ হাজার টাকারও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সংকট চলতে থাকলে আগামীতে দাম আরও বাড়তে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার জেরে স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভায় এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। সেই হিসেবে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের বর্তমান বাজারদর দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণালংকারের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রৌপালংকারের দামও। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত রৌপ্যের প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৭৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রৌপালংকার ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৪৩৪ টাকায় বিক্রি হবে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন বিক্রয়মূল্য বজায় থাকবে। একই সঙ্গে ক্রেতাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অলংকার কেনার সময় সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আরও ৮ হাজার ৬৯০ টাকা বেড়ে এখন তা ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে হিসেব করলে মাত্র দশ দিনে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট প্রায় ১৮ হাজার টাকারও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সংকট চলতে থাকলে আগামীতে দাম আরও বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন