মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী সংঘাত যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বর্তমান উত্তেজনা প্রতিরোধে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, শান্তি বজায় রাখা এবং সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে তিনি তুরস্কের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করবেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পেছনে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডকে দায়ী করে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন।
তবে এই সংকটে কেবল এক পক্ষকে নয়, বরং ইরানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যে অজুহাতেই হোক না কেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর (সৌদি আরব ও কুয়েত) ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার মতে, এমন আক্রমণ আঞ্চলিক ভ্রাতৃত্বের ওপর আঘাত হানে।
আঞ্চলিক এই অস্থিরতা নিরসনে এরদোয়ান সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘ আলাপ করেছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ফোনালাপে এরদোয়ান আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে— যদি এখনই এই সংঘাত থামানো না যায়, তবে এটি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
তিনি আরও বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্যগুলো দূর করার জন্য তুরস্ক ও সৌদি আরব বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধের বদলে কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়া এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পথ খোঁজাটাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী সংঘাত যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বর্তমান উত্তেজনা প্রতিরোধে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, শান্তি বজায় রাখা এবং সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে তিনি তুরস্কের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করবেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পেছনে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডকে দায়ী করে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন।
তবে এই সংকটে কেবল এক পক্ষকে নয়, বরং ইরানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যে অজুহাতেই হোক না কেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর (সৌদি আরব ও কুয়েত) ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার মতে, এমন আক্রমণ আঞ্চলিক ভ্রাতৃত্বের ওপর আঘাত হানে।
আঞ্চলিক এই অস্থিরতা নিরসনে এরদোয়ান সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘ আলাপ করেছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ফোনালাপে এরদোয়ান আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে— যদি এখনই এই সংঘাত থামানো না যায়, তবে এটি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
তিনি আরও বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্যগুলো দূর করার জন্য তুরস্ক ও সৌদি আরব বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধের বদলে কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়া এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পথ খোঁজাটাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনার মতামত লিখুন