ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

খামেনিকে হত্যা করায় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন রেজা পাহলভী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬

খামেনিকে হত্যা করায় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন রেজা পাহলভী
চিত্র : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত সাবেক যুবরাজ রেজা পাহলভী। The Washington Post–এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি এই ঘটনাকে ইরানের জনগণের জন্য ‘স্বাধীনতার এক নতুন সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

নিবন্ধের শুরুতেই তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–কে ধন্যবাদ জানান। সম্প্রতি ট্রাম্প ইরানিদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “তোমাদের স্বাধীনতার সময় এসে গেছে”—এই বক্তব্যের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

পাহলভীর মতে, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অস্থিরতা বাড়িয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পারমাণবিক কর্মসূচি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের মাধ্যমে দেশটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

তবে তার দাবি, সরকারের সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরেই। বিশেষ করে গত জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় বহু প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনাকে তিনি অমানবিক বলে আখ্যা দেন।

ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথরেখা নিয়েও প্রস্তাব দিয়েছেন পাহলভী। তার মতে, একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে তা গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন করা উচিত। এরপর আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি লিখেছেন, ইতিহাস সবসময় পরিবর্তনের মুহূর্তের আগাম সংকেত দেয় না। তবে এমন সময় আসে, যখন সাহসী নেতৃত্ব ও জাতীয় সংহতি একটি দেশের গতিপথ বদলে দিতে পারে।

খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নির্বাসিত এই নেতার প্রভাব কতটা জোরালো হতে পারে—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছে। উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই পাহলভী পরিবার দেশের বাইরে অবস্থান করছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


খামেনিকে হত্যা করায় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন রেজা পাহলভী

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত সাবেক যুবরাজ রেজা পাহলভী। The Washington Post–এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি এই ঘটনাকে ইরানের জনগণের জন্য ‘স্বাধীনতার এক নতুন সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


নিবন্ধের শুরুতেই তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–কে ধন্যবাদ জানান। সম্প্রতি ট্রাম্প ইরানিদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “তোমাদের স্বাধীনতার সময় এসে গেছে”—এই বক্তব্যের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।


পাহলভীর মতে, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অস্থিরতা বাড়িয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পারমাণবিক কর্মসূচি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের মাধ্যমে দেশটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।


তবে তার দাবি, সরকারের সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরেই। বিশেষ করে গত জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় বহু প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনাকে তিনি অমানবিক বলে আখ্যা দেন।


ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথরেখা নিয়েও প্রস্তাব দিয়েছেন পাহলভী। তার মতে, একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে তা গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন করা উচিত। এরপর আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।


তিনি লিখেছেন, ইতিহাস সবসময় পরিবর্তনের মুহূর্তের আগাম সংকেত দেয় না। তবে এমন সময় আসে, যখন সাহসী নেতৃত্ব ও জাতীয় সংহতি একটি দেশের গতিপথ বদলে দিতে পারে।


খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নির্বাসিত এই নেতার প্রভাব কতটা জোরালো হতে পারে—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছে। উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই পাহলভী পরিবার দেশের বাইরে অবস্থান করছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ