ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। সোমবার (১ মার্চ ২০২৬) ভোরে তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই রাজধানীসহ প্রধান শহরগুলোর রাজপথে নেমে এসেছে লাখো শোকার্ত মানুষের ঢল। আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রিয় নেতার বিয়োগে শোকাভিভূত জনতা দলে দলে রাস্তায় জমায়েত হচ্ছেন।
খামেনির মৃত্যু নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছিল। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই তার নিহত হওয়ার দাবি করলেও ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। অবশেষে সোমবার ভোরে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
নেতার প্রয়াণে ইরান সরকার দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। শোককালীন এই সময়ে তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক শোকানুষ্ঠান ও বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
শোকের এই আবহের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা থামেনি। আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, খামেনির মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেও তেহরানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার পরেও নিরাপত্তার ঝুঁকি উপেক্ষা করে বিপুলসংখ্যক ইরানি নাগরিক রাস্তায় অবস্থান করছেন।
এদিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতার উত্তরাধিকার এবং ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে গভীর পর্যবেক্ষণ চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। সোমবার (১ মার্চ ২০২৬) ভোরে তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই রাজধানীসহ প্রধান শহরগুলোর রাজপথে নেমে এসেছে লাখো শোকার্ত মানুষের ঢল। আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রিয় নেতার বিয়োগে শোকাভিভূত জনতা দলে দলে রাস্তায় জমায়েত হচ্ছেন।
খামেনির মৃত্যু নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছিল। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই তার নিহত হওয়ার দাবি করলেও ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। অবশেষে সোমবার ভোরে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
নেতার প্রয়াণে ইরান সরকার দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। শোককালীন এই সময়ে তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক শোকানুষ্ঠান ও বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
শোকের এই আবহের মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা থামেনি। আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, খামেনির মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেও তেহরানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার পরেও নিরাপত্তার ঝুঁকি উপেক্ষা করে বিপুলসংখ্যক ইরানি নাগরিক রাস্তায় অবস্থান করছেন।
এদিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতার উত্তরাধিকার এবং ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে গভীর পর্যবেক্ষণ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন