ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে ছিলেন খামেনি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬

৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে ছিলেন খামেনি

ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ও সংসদ সদস্যরা ক্ষমতায় এলেও দেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ থাকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে। সেই আসনে টানা ৩৭ বছর অধিষ্ঠিত ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

১৯৩৯ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে এক ধর্মীয় পণ্ডিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬২ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন খামেনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর ধর্মীয় নেতাদের বিশেষজ্ঞ পরিষদ খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে মনোনীত করে। এরপর থেকে তিনি ইরানের রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে যেকোনো চ্যালেঞ্জ কঠোর হাতে দমন করেন।

পররাষ্ট্র নীতিতে তিনি সবসময়ই আপসহীন অবস্থান নেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাত বজায় রাখার পাশাপাশি ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন তিনি। হলোকাস্টের ঘটনা নিয়েও প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন একাধিকবার।

ছয় সন্তানের জনক এই নেতার শাসনামলে ইরানে মোট সাতজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে ছিলেন খামেনি

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ও সংসদ সদস্যরা ক্ষমতায় এলেও দেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ থাকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে। সেই আসনে টানা ৩৭ বছর অধিষ্ঠিত ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

১৯৩৯ সালে ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে এক ধর্মীয় পণ্ডিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬২ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন খামেনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর ধর্মীয় নেতাদের বিশেষজ্ঞ পরিষদ খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে মনোনীত করে। এরপর থেকে তিনি ইরানের রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে যেকোনো চ্যালেঞ্জ কঠোর হাতে দমন করেন।

পররাষ্ট্র নীতিতে তিনি সবসময়ই আপসহীন অবস্থান নেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাত বজায় রাখার পাশাপাশি ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন তিনি। হলোকাস্টের ঘটনা নিয়েও প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন একাধিকবার।

ছয় সন্তানের জনক এই নেতার শাসনামলে ইরানে মোট সাতজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ