বাহরাইনের রাজধানী মানায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে দূতাবাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালানোর পর এই ঘোষণা আসে।
বাহরাইনে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, রোববার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তার কারণে দূতাবাস বন্ধ থাকবে। এতে সব নিয়মিত ও জরুরি কনস্যুলার সাক্ষাৎকার বাতিল করা হয়েছে। দূতাবাস স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এলে তা জানানো হবে।
প্রথম দফায় বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরানের হামলার পর আরও বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে দ্বিতীয় দফায় ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করার দাবি করেছে বাহরাইন। একই সময়ে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসাবশেষের আঘাতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন স্বার্থকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোও উত্তেজনা কমাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ফোনালাপে তাৎক্ষণিকভাবে উত্তেজনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাহরাইনের রাজধানী মানায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে দূতাবাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালানোর পর এই ঘোষণা আসে।
বাহরাইনে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, রোববার (২৯ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তার কারণে দূতাবাস বন্ধ থাকবে। এতে সব নিয়মিত ও জরুরি কনস্যুলার সাক্ষাৎকার বাতিল করা হয়েছে। দূতাবাস স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এলে তা জানানো হবে।
প্রথম দফায় বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরানের হামলার পর আরও বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে দ্বিতীয় দফায় ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করার দাবি করেছে বাহরাইন। একই সময়ে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসাবশেষের আঘাতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন স্বার্থকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোও উত্তেজনা কমাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ফোনালাপে তাৎক্ষণিকভাবে উত্তেজনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন