ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ঋতু বদলের সময় কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে কেন?


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঋতু বদলের সময় কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে কেন?

ঋতু বদলের সময় কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শরীরের জলীয় ভারসাম্য ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে শীত থেকে বসন্ত বা গরম থেকে শীতের পরিবর্তনের সময় পাথর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কিডনি পাথর মূলত তখন তৈরি হয় যখন প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট ও ইউরিক অ্যাসিডের মতো খনিজ পদার্থ অতিরিক্ত ঘন হয়ে একত্রিত হয়। ঋতু বদলের সময় পর্যাপ্ত পানি না খেলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে এই খনিজ পদার্থগুলো দ্রুত স্ফটিক আকারে গড়ে ওঠে।

ডিহাইড্রেশন বা কম পানি পান করাও ঝুঁকি বাড়ায়। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে মানুষ সাধারণত কম পানি পান করে এবং চা, কফি বা মিষ্টি পানীয় বেশি খায়, যা শরীরকে আরও ডিহাইড্রেটেড করে তোলে।

আবহাওয়ার ওঠানামাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বের হয়, আবার শীতে কম ঘাম হওয়ায় শরীর কম পানি গ্রহণ করে। এই ওঠানামার ফলে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

জীবনযাত্রার পরিবর্তনও ঝুঁকি বাড়ায়। ঋতু বদলের সময়ে খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কাজের ধরন পরিবর্তিত হয়। অনেকেই কম ব্যায়াম করে, কম পানি পান করে এবং ডিহাইড্রেটিং খাবার বেশি খান। এই সব কারণে কিডনিতে পাথর জমা হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যাদের পূর্বে কিডনি পাথরের ইতিহাস আছে, যারা পর্যাপ্ত পানি পান করেন না বা বেশি চা, কফি ও সোডা পান করেন, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

কিডনি পাথর প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন পর্যাপ্ত পানি পান করা, প্রস্রাবের রঙ হালকা রাখা, অতিরিক্ত লবণ ও মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা। প্রয়োজনে ইউরোলজিস্ট বা ডাক্তার পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঋতু পরিবর্তনের সময় এই সাধারণ জীবনযাপন অভ্যাসগুলো মানলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ঋতু বদলের সময় কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে কেন?

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ঋতু বদলের সময় কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শরীরের জলীয় ভারসাম্য ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে শীত থেকে বসন্ত বা গরম থেকে শীতের পরিবর্তনের সময় পাথর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কিডনি পাথর মূলত তখন তৈরি হয় যখন প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট ও ইউরিক অ্যাসিডের মতো খনিজ পদার্থ অতিরিক্ত ঘন হয়ে একত্রিত হয়। ঋতু বদলের সময় পর্যাপ্ত পানি না খেলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে এই খনিজ পদার্থগুলো দ্রুত স্ফটিক আকারে গড়ে ওঠে।

ডিহাইড্রেশন বা কম পানি পান করাও ঝুঁকি বাড়ায়। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে মানুষ সাধারণত কম পানি পান করে এবং চা, কফি বা মিষ্টি পানীয় বেশি খায়, যা শরীরকে আরও ডিহাইড্রেটেড করে তোলে।

আবহাওয়ার ওঠানামাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বের হয়, আবার শীতে কম ঘাম হওয়ায় শরীর কম পানি গ্রহণ করে। এই ওঠানামার ফলে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

জীবনযাত্রার পরিবর্তনও ঝুঁকি বাড়ায়। ঋতু বদলের সময়ে খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কাজের ধরন পরিবর্তিত হয়। অনেকেই কম ব্যায়াম করে, কম পানি পান করে এবং ডিহাইড্রেটিং খাবার বেশি খান। এই সব কারণে কিডনিতে পাথর জমা হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যাদের পূর্বে কিডনি পাথরের ইতিহাস আছে, যারা পর্যাপ্ত পানি পান করেন না বা বেশি চা, কফি ও সোডা পান করেন, তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

কিডনি পাথর প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন পর্যাপ্ত পানি পান করা, প্রস্রাবের রঙ হালকা রাখা, অতিরিক্ত লবণ ও মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা। প্রয়োজনে ইউরোলজিস্ট বা ডাক্তার পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঋতু পরিবর্তনের সময় এই সাধারণ জীবনযাপন অভ্যাসগুলো মানলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ