পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে শুক্রবার রাতে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা দাদিকে হত্যা করা হয় এবং তার ১৫ বছর বয়সী নাতনিকে অপহরণ, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। শনিবার সকালে পুলিশ দুইজনের মরদেহ পৃথক স্থান থেকে উদ্ধার করেছে।
নিহতরা হলেন সু্ফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এবং নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। দাদির মরদেহ বাড়ির উঠানে পাওয়া গেছে, আর নাতনির মরদেহ নিকটবর্তী সরিষে খেতে উদ্ধার করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মমিনুজ্জামান জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও দোষীদের শনাক্তের জন্য তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয়রা শোক ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে শুক্রবার রাতে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা দাদিকে হত্যা করা হয় এবং তার ১৫ বছর বয়সী নাতনিকে অপহরণ, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। শনিবার সকালে পুলিশ দুইজনের মরদেহ পৃথক স্থান থেকে উদ্ধার করেছে।
নিহতরা হলেন সু্ফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এবং নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। দাদির মরদেহ বাড়ির উঠানে পাওয়া গেছে, আর নাতনির মরদেহ নিকটবর্তী সরিষে খেতে উদ্ধার করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মমিনুজ্জামান জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও দোষীদের শনাক্তের জন্য তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয়রা শোক ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন