মধ্যপ্রাচ্যের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের ভূখণ্ডে ভয়াবহ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার পর দেশ দুটি তাদের আকাশসীমা বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। আজ শনিবার সকালে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর আকস্মিক হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ ইরাকও তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এপি-র তথ্যানুযায়ী, আজ শনিবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশ কিছু এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের অত্যন্ত নিকটবর্তী এলাকায় এই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে হামলার সময় খামেনি সেখানে অবস্থান করছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য মতে, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তাকে আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ইরানের ওপর ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর এই হামলার পর প্রতিবেশী ইরাক দ্রুততম সময়ে তাদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয়। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে উত্তর ইরাকের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সব ধরনের বিমান চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। একই সাথে ইরান ও ইসরায়েল তাদের নিজ নিজ আকাশসীমা ব্যবহারকারী সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল করে সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজগুলোকে দ্রুত অবতরণ অথবা রুট পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আজকের এই পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে এবং শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যালয়ের কাছে হামলা চালানোর বিষয়টি ইরানকে বড় ধরনের পাল্টা আঘাত বা ‘রিটালিয়েশন’-এর দিকে প্ররোচিত করতে পারে। বর্তমানে দুই দেশের সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের ভূখণ্ডে ভয়াবহ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার পর দেশ দুটি তাদের আকাশসীমা বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। আজ শনিবার সকালে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর আকস্মিক হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ ইরাকও তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা এপি-র তথ্যানুযায়ী, আজ শনিবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশ কিছু এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের অত্যন্ত নিকটবর্তী এলাকায় এই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে হামলার সময় খামেনি সেখানে অবস্থান করছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য মতে, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তাকে আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ইরানের ওপর ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর এই হামলার পর প্রতিবেশী ইরাক দ্রুততম সময়ে তাদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয়। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে উত্তর ইরাকের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সব ধরনের বিমান চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। একই সাথে ইরান ও ইসরায়েল তাদের নিজ নিজ আকাশসীমা ব্যবহারকারী সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল করে সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজগুলোকে দ্রুত অবতরণ অথবা রুট পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আজকের এই পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে এবং শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যালয়ের কাছে হামলা চালানোর বিষয়টি ইরানকে বড় ধরনের পাল্টা আঘাত বা ‘রিটালিয়েশন’-এর দিকে প্ররোচিত করতে পারে। বর্তমানে দুই দেশের সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন