পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেও প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান 'অপারেশন গজব লিল হক' আরও তীব্রতর হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এ পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আটশ ছাড়িয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, গত দুই দিনের অভিযানে অন্তত ৩৩১ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক ছাড়িয়েছে। এই অভিযানে আফগান বাহিনীর ১০৪টি চেকপোস্ট ধ্বংস করার পাশাপাশি অন্তত ২২টি কৌশলগত পোস্ট নিজেদের দখলে নেওয়ার দাবি করেছে পাকিস্তান। এছাড়া আফগানিস্তানের ১৬৩টি ট্যাংক ও সামরিক যান ধ্বংস করার খবরও জানিয়েছে দেশটির সামরিক সূত্র।
অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছে। আফগান সূত্রের দাবি অনুযায়ী, তাদের প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলায় অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "পাকিস্তান যদি তাদের এই সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, তবে ইসলামিক এমিরেটের বাহিনী এর যথাযথ ও চূড়ান্ত জবাব দিতে সক্ষম।" তিনি আরও যোগ করেন, আফগান বাহিনীর হাত প্রতিপক্ষের "গলা পর্যন্ত" পৌঁছানোর সামর্থ্য রাখে।
দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে পাকিস্তান সীমান্ত সুরক্ষিত করার দোহাই দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করছে, অন্যদিকে আফগানিস্তান একে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে। পবিত্র রমজান মাসে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক মহল এই সংঘাত বন্ধে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানালেও সীমান্তে এখনো মুহুর্মুহু গোলবর্ষণ ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেও প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান 'অপারেশন গজব লিল হক' আরও তীব্রতর হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এ পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আটশ ছাড়িয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, গত দুই দিনের অভিযানে অন্তত ৩৩১ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক ছাড়িয়েছে। এই অভিযানে আফগান বাহিনীর ১০৪টি চেকপোস্ট ধ্বংস করার পাশাপাশি অন্তত ২২টি কৌশলগত পোস্ট নিজেদের দখলে নেওয়ার দাবি করেছে পাকিস্তান। এছাড়া আফগানিস্তানের ১৬৩টি ট্যাংক ও সামরিক যান ধ্বংস করার খবরও জানিয়েছে দেশটির সামরিক সূত্র।
অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছে। আফগান সূত্রের দাবি অনুযায়ী, তাদের প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলায় অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "পাকিস্তান যদি তাদের এই সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, তবে ইসলামিক এমিরেটের বাহিনী এর যথাযথ ও চূড়ান্ত জবাব দিতে সক্ষম।" তিনি আরও যোগ করেন, আফগান বাহিনীর হাত প্রতিপক্ষের "গলা পর্যন্ত" পৌঁছানোর সামর্থ্য রাখে।
দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে পাকিস্তান সীমান্ত সুরক্ষিত করার দোহাই দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করছে, অন্যদিকে আফগানিস্তান একে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে। পবিত্র রমজান মাসে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক মহল এই সংঘাত বন্ধে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানালেও সীমান্তে এখনো মুহুর্মুহু গোলবর্ষণ ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন