ভোলার তজুমদ্দিনে এক বাক প্রতিবন্ধী হিন্দু নারীকে নির্জন বাগানে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন হাসপাতালে এবং পরে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা এবং এক সন্তানের মা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে হোন্ডাচালক রাকিবের সঙ্গে ১ হাজার টাকার সমঝোতায় ভুক্তভোগী নারী ধোপা বাড়ির পেছনের একটি বাগানে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন মিলে তাকে রাতভর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে শশীগঞ্জ দাসপাড়া গ্রামের পাশে ফেলে দেয়। ভোরে তুলসী রানী নামের স্থানীয় এক নারী তাকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় ধর্ষণ মামলা (নং–০৩) দায়ের করেন। পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- অটোরিকশা চালক মোঃ রাকিব (৩০), চাঁদপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ জুয়েল (৩৫) এবং তদন্তে প্রাপ্ত আল আমিন সম্রাট (২০)। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
ভোলা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহীম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোলার তজুমদ্দিনে এক বাক প্রতিবন্ধী হিন্দু নারীকে নির্জন বাগানে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন হাসপাতালে এবং পরে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা এবং এক সন্তানের মা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে হোন্ডাচালক রাকিবের সঙ্গে ১ হাজার টাকার সমঝোতায় ভুক্তভোগী নারী ধোপা বাড়ির পেছনের একটি বাগানে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন মিলে তাকে রাতভর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে শশীগঞ্জ দাসপাড়া গ্রামের পাশে ফেলে দেয়। ভোরে তুলসী রানী নামের স্থানীয় এক নারী তাকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় ধর্ষণ মামলা (নং–০৩) দায়ের করেন। পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- অটোরিকশা চালক মোঃ রাকিব (৩০), চাঁদপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ জুয়েল (৩৫) এবং তদন্তে প্রাপ্ত আল আমিন সম্রাট (২০)। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
ভোলা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহীম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন