ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে জমা দেওয়া দুদকের আবেদন থেকে জানা যায়, টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি কোনো অর্থ পরিশোধ ছাড়াই ‘অবৈধ পারিতোষিক’ হিসেবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে গুলশান-২ এলাকার ৭১ নম্বর রোডের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সেই দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এবং রাজউকের আইন উপদেষ্টা হওয়ার সুবাদে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের অবৈধভাবে প্রভাবিত করে তিনি ইস্টার্ন হাউজিংকে আমমোক্তার ও ফ্ল্যাট বিক্রির অনুমোদন পাইয়ে দেন। বিনিময়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তিনি ফ্ল্যাটটি বিনামূল্যে গ্রহণ করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলা দায়েরের আগেই টিউলিপ সিদ্দিক দেশত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে মামলার আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তাকে আইনের আওতায় আনতে এবং তদন্তের স্বার্থে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা একান্ত প্রয়োজন। আদালত দুদকের এই যৌক্তিকতা আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন।
ইতোমধ্যেই এ মামলার তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে জমা দেওয়া দুদকের আবেদন থেকে জানা যায়, টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি কোনো অর্থ পরিশোধ ছাড়াই ‘অবৈধ পারিতোষিক’ হিসেবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে গুলশান-২ এলাকার ৭১ নম্বর রোডের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সেই দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এবং রাজউকের আইন উপদেষ্টা হওয়ার সুবাদে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের অবৈধভাবে প্রভাবিত করে তিনি ইস্টার্ন হাউজিংকে আমমোক্তার ও ফ্ল্যাট বিক্রির অনুমোদন পাইয়ে দেন। বিনিময়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তিনি ফ্ল্যাটটি বিনামূল্যে গ্রহণ করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলা দায়েরের আগেই টিউলিপ সিদ্দিক দেশত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে মামলার আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তাকে আইনের আওতায় আনতে এবং তদন্তের স্বার্থে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা একান্ত প্রয়োজন। আদালত দুদকের এই যৌক্তিকতা আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন।
ইতোমধ্যেই এ মামলার তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন