বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে শাক-সবজিতে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকার ঝুঁকি রয়েছে, যা মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। কৃষিজ উৎপাদনে কীটপতঙ্গ দমনের জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিকের একটি অংশ সবজির পৃষ্ঠে বা কোষে রয়ে গিয়ে খাদ্য নিরাপত্তায় হুমকি তৈরি করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ভোক্তাদের নিয়মিত সচেতন করছে এবং শাক-সবজি সঠিকভাবে পরিষ্কার করার পরামর্শ দিচ্ছে।
শাক-সবজিকে নিরাপদ করতে প্রথম ধাপে পরিষ্কার নল-জল দিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ড ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। এতে মাটি, ধুলা এবং পৃষ্ঠে লেগে থাকা অনেক কীটনাশক দূর হয়। এরপর ১ লিটার পানিতে ১-২ চা-চামচ লবণ মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে রাসায়নিকের একটি অংশ আলগা হয়ে যায়। ভিজিয়ে রাখা শেষে আবার নল-জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত। একইভাবে বেকিং সোডা বা ভিনেগার সলিউশনও কার্যকর—১ লিটার পানিতে ১ চা-চামচ বেকিং সোডা অথবা ১ ভাগ ভিনেগার ও ৩ ভাগ পানি মিশিয়ে সবজি ১২-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে অনেক পৃষ্ঠজাত কেমিক্যাল ভেঙে বা দূর হয়ে যায়।
কঠিন খোসাযুক্ত সবজি যেমন আলু, আপেল, শসা, বেগুন ইত্যাদি ফুড-গ্রেড ব্রাশ দিয়ে ঘষে ধুলে পৃষ্ঠের রাসায়নিক সহজে উঠে যায়। পাতাযুক্ত শাক যেমন বাঁধাকপি, লেটুস ইত্যাদির বাইরের কয়েকটি পাতা ফেলে দেওয়া উত্তম, কারণ এই অংশে বেশি দূষণ জমে থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফল বা সবজির খোসা ছাড়া পদ্ধতিও কীটনাশক কমাতে সাহায্য করে, যদিও এতে পুষ্টিগুণ কিছুটা কমতে পারে।
তবে মনে রাখা জরুরি সবজি ধোয়া বা ভিজিয়ে রাখা ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করতে পারে না, কারণ কিছু কীটনাশক ফসলের গভীর অংশে প্রবেশ করে থাকে। তাই নিরাপদ ও পরিচিত উৎস থেকে মৌসুমি শাক-সবজি কেনার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করতে ঘরেই এসব সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলে কীটনাশকের ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে শাক-সবজিতে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকার ঝুঁকি রয়েছে, যা মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। কৃষিজ উৎপাদনে কীটপতঙ্গ দমনের জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিকের একটি অংশ সবজির পৃষ্ঠে বা কোষে রয়ে গিয়ে খাদ্য নিরাপত্তায় হুমকি তৈরি করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ভোক্তাদের নিয়মিত সচেতন করছে এবং শাক-সবজি সঠিকভাবে পরিষ্কার করার পরামর্শ দিচ্ছে।
শাক-সবজিকে নিরাপদ করতে প্রথম ধাপে পরিষ্কার নল-জল দিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ড ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। এতে মাটি, ধুলা এবং পৃষ্ঠে লেগে থাকা অনেক কীটনাশক দূর হয়। এরপর ১ লিটার পানিতে ১-২ চা-চামচ লবণ মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে রাসায়নিকের একটি অংশ আলগা হয়ে যায়। ভিজিয়ে রাখা শেষে আবার নল-জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত। একইভাবে বেকিং সোডা বা ভিনেগার সলিউশনও কার্যকর—১ লিটার পানিতে ১ চা-চামচ বেকিং সোডা অথবা ১ ভাগ ভিনেগার ও ৩ ভাগ পানি মিশিয়ে সবজি ১২-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে অনেক পৃষ্ঠজাত কেমিক্যাল ভেঙে বা দূর হয়ে যায়।
কঠিন খোসাযুক্ত সবজি যেমন আলু, আপেল, শসা, বেগুন ইত্যাদি ফুড-গ্রেড ব্রাশ দিয়ে ঘষে ধুলে পৃষ্ঠের রাসায়নিক সহজে উঠে যায়। পাতাযুক্ত শাক যেমন বাঁধাকপি, লেটুস ইত্যাদির বাইরের কয়েকটি পাতা ফেলে দেওয়া উত্তম, কারণ এই অংশে বেশি দূষণ জমে থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফল বা সবজির খোসা ছাড়া পদ্ধতিও কীটনাশক কমাতে সাহায্য করে, যদিও এতে পুষ্টিগুণ কিছুটা কমতে পারে।
তবে মনে রাখা জরুরি সবজি ধোয়া বা ভিজিয়ে রাখা ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করতে পারে না, কারণ কিছু কীটনাশক ফসলের গভীর অংশে প্রবেশ করে থাকে। তাই নিরাপদ ও পরিচিত উৎস থেকে মৌসুমি শাক-সবজি কেনার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করতে ঘরেই এসব সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলে কীটনাশকের ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন