ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে একাধিকবার দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যৎ চুক্তিতেও স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিকল্প হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, যা দামে এই ঊর্ধ্বগতি এনেছে।

দেশীয় বাজারে বাজুসের সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় অনুযায়ী, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। সর্বশেষ নির্ধারিত দরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করা বাধ্যতামূলক।

চলতি বছর স্বর্ণের দাম ঘন ঘন পরিবর্তনের ঘটনা অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই দাম কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে, আবার কখনো মাত্র এক দিনের ব্যবধানে বা পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিকবার পরিবর্তন হয়েছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও দেশীয় সরবরাহের তারতম্যই এই ঘন ঘন মূল্য সমন্বয়ের কারণ।

স্বর্ণের দামের এই অবিরাম ওঠানামায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষত বিয়ের মৌসুমে স্বর্ণের উচ্চমূল্য মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করছে বলে জুয়েলারি খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। রুপার বাজার অবশ্য তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা যতদিন বিদ্যমান থাকবে, স্বর্ণের দামের এই অস্থিরতাও অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে একাধিকবার দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যৎ চুক্তিতেও স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিকল্প হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, যা দামে এই ঊর্ধ্বগতি এনেছে।

দেশীয় বাজারে বাজুসের সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় অনুযায়ী, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। সর্বশেষ নির্ধারিত দরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করা বাধ্যতামূলক।

চলতি বছর স্বর্ণের দাম ঘন ঘন পরিবর্তনের ঘটনা অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই দাম কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে, আবার কখনো মাত্র এক দিনের ব্যবধানে বা পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিকবার পরিবর্তন হয়েছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও দেশীয় সরবরাহের তারতম্যই এই ঘন ঘন মূল্য সমন্বয়ের কারণ।

স্বর্ণের দামের এই অবিরাম ওঠানামায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষত বিয়ের মৌসুমে স্বর্ণের উচ্চমূল্য মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করছে বলে জুয়েলারি খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। রুপার বাজার অবশ্য তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা যতদিন বিদ্যমান থাকবে, স্বর্ণের দামের এই অস্থিরতাও অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ