দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাওয়া সরকারি কর্মচারীরা ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে নতুন আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে দাবি পূরণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা জানানো হয়। এর আগে গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের এক কেন্দ্রীয় সভায় আন্দোলনের এই রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন কর্মচারীরা। একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানাবেন। এ ছাড়াও পবিত্র মাহে রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৫ সালে ঘোষিত ৮ম পে স্কেলের কারণে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। গত ১১ বছর ধরে নতুন কোনো পে স্কেল না হওয়ায় এবং নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বী দামের কারণে সাধারণ কর্মচারীরা এখন দিশেহারা। ঐক্য পরিষদ উল্লেখ করেছে, বিএনপি সরকার ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে দুটি সন্তোষজনক পে স্কেল দিলেও পরবর্তী সরকারগুলো কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি আমলে নেয়নি।
পরিষদ আরও জানায়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালে ৮ম পে কমিশন গঠন করলেও এবং কমিশন রিপোর্ট জমা দিলেও তা বাস্তবায়নে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ১৫ মার্চের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর যদি দাবি পূরণ না হয়, তবে আগামী ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঈদুল ফিতর পরবর্তী চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
সরকারি কর্মচারীদের এই দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ছয় সদস্যের একটি পরিবারের নূন্যতম ব্যয়ভার বহন করা বর্তমান বেতন কাঠামোতে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই অবিলম্বে বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল ঘোষণা করে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাওয়া সরকারি কর্মচারীরা ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে নতুন আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে দাবি পূরণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা জানানো হয়। এর আগে গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের এক কেন্দ্রীয় সভায় আন্দোলনের এই রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন কর্মচারীরা। একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানাবেন। এ ছাড়াও পবিত্র মাহে রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৫ সালে ঘোষিত ৮ম পে স্কেলের কারণে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। গত ১১ বছর ধরে নতুন কোনো পে স্কেল না হওয়ায় এবং নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বী দামের কারণে সাধারণ কর্মচারীরা এখন দিশেহারা। ঐক্য পরিষদ উল্লেখ করেছে, বিএনপি সরকার ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে দুটি সন্তোষজনক পে স্কেল দিলেও পরবর্তী সরকারগুলো কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি আমলে নেয়নি।
পরিষদ আরও জানায়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালে ৮ম পে কমিশন গঠন করলেও এবং কমিশন রিপোর্ট জমা দিলেও তা বাস্তবায়নে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ১৫ মার্চের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর যদি দাবি পূরণ না হয়, তবে আগামী ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঈদুল ফিতর পরবর্তী চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
সরকারি কর্মচারীদের এই দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ছয় সদস্যের একটি পরিবারের নূন্যতম ব্যয়ভার বহন করা বর্তমান বেতন কাঠামোতে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই অবিলম্বে বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল ঘোষণা করে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন